গৃহযুদ্ধ থেকে রেহাই পেতে লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে গ্রিস যাওয়ার সময় অন্তত ৩৭ জন সুদানি অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে।
সুদানের নাগরিক কমিটি এল-ফাশার রেজিস্ট্যান্স কোঅর্ডিনেশন প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একাধিক নারী, শিশু ও পুরো পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। গৃহযুদ্ধের কারণে নিরাপত্তা ও জীবন বাঁচানোর তাগিদে তারা দেশ ছেড়েছিলেন।
সংস্থাটির প্রকাশিত ৩৭ জন নিহতের তালিকায় ৭ মাস বয়সী এক শিশুসহ ৩, ৬, ৮, ৯, ১২, ১৩ এবং ১৬ বছর বয়সী একাধিক শিশু রয়েছে। এসব ভুক্তভোগী সুদানের এল ফাশার, এল জেনেইনা, নেয়্যালা, গেদারেফ, ইস্ট নাইল, বাবানুসা সহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসেছিলেন।
কমিটিটি জানায়, এল ফাশার শহরের অধিবাসীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, ‘মৃত্যু এল ফাশারের মানুষকে কোথাও রেহাই দেয়নি; তা তাদের নিজেদের শহরে, বাস্তুচ্যুতির পথে, অভিবাসনের রাস্তায় এবং সমুদ্রেও পিছু ছাড়েনি।’
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্য মতে, ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর আরএসএফ এল ফাশার দখল করার পর সেখানে বেসামরিক মানুষের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেনাবাহিনী ও প্যরামিলিশিয়া বাহিনী আরএসএফ-এর মধ্যে চলা এই যুদ্ধে ১০ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়েছেন।
সূত্র: অনাদোলু এজেন্সি