কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও চারটি গুলিসহ মোহাম্মদ জহির (১৯) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। র্যাবের দাবি, জহির মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরসার (আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি) সক্রিয় সদস্য।
শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে উখিয়ার ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মরাগাছতলা এলাকায় মাল্টিপারপাস কমিউনিটি অ্যান্ড সার্ভিস সেন্টারের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১৫-এর সিপিসি-২ (হোয়াইক্যং ক্যাম্প)–এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে তল্লাশি অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন জহিরকে আটক করে দেহ তল্লাশি করা হয়। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও চারটি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে র্যাব জানায়।
গ্রেপ্তার জহির উখিয়ার ময়নারঘোনা ১২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-২-এর বাসিন্দা। তিনি রশিদ আহম্মদের ছেলে।
র্যাবের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জহির আরসার সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের ভেতরে অস্ত্র বহনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলেও জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে।
র্যাব জানায়, জহিরের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
র্যাব-১৫-এর আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, রাতে ১১ নম্বর ক্যাম্পের মরাগাছতলা এলাকায় একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছিল র্যাব। এ সময় জহিরের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, এক রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তারের পর হস্তান্তর করেছে র্যাব। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।