যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পারস্পরিক অনাস্থা এবং সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে কিছুটা অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে ফেরাতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদের এক সাক্ষাৎকারের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।
গত জুন মাসে পাকিস্তান ও কাতারের যৌথ মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’-এ দুই দেশের বৈরিতা অবসান, স্থায়ী স্থায়ী সমাধানের জন্য ৬০ দিনের সময়সীমা এবং হরমুজ প্রণালী বাণিজ্যিক নৌ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধের বিষয়গুলো বাস্তবায়িত না হওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ইরান। অন্যদিকে ওয়াশিংটন ও উপসাগরীয় দেশগুলো হরমুজ প্রণালীতে মুক্ত নৌ চলাচলের ওপর জোর দিচ্ছে।
আসিম ইফতিখার আহমেদ উল্লেখ করেন, উভয় দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পাকিস্তানের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রয়েছে। পূর্বের তীব্র সংঘাতের মধ্যেও যেহেতু যুদ্ধবিরতি ও চুক্তি স্বাক্ষর সম্ভব হয়েছিল, তাই বর্তমান সংকট সমাধানেও দুই পক্ষকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গাজা পরিস্থিতি সম্পর্কে পাকিস্তানি প্রতিনিধি সতর্ক করে বলেন, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নীতি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। গাজায় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় শত শত নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, আসিম ইফতিখার আহমেদকে আমনা বালুচের স্থলাভিষিক্ত করে পাকিস্তানের ৩৪তম পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি