গৃহবধূ ইয়ানুর হত্যায় অভিযুক্ত জুয়েল মৃধার বাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন

ঢাকার ধোলাইপাড়ে ভাড়া বাসায় গৃহবধূ ইয়ানুর (২৫) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত স্বামী মো. জুয়েল মৃধার বাসাবাড়ি ভাঙচুর ও আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা ও ইয়ানুরের স্বজনরা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিবিরায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা ও ইয়ানুরের স্বজনরা জুয়েলের তালাবদ্ধ ঘরে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

অভিযুক্ত জুয়েল মৃধা দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম আলীপুর গ্রামের ফোরকান মৃধার ছেলে। তিনি ঢাকা দশমিনা রুটের একটি পরিবহনে সুপার ভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সূত্রে জানা গেছে, এক বছর আগে গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের গুয়াবাড়িয়া গ্রামের হানিফ হাওলাদারের মেয়ে ইয়ানুরের সঙ্গে জুয়েল মৃধার বিয়ে হয়। বিয়ের পর জুয়েল ও ইয়ানুর ঢাকার ধোলাইপাড়ে একটি ভাড়া বাসায় সববাস করতেন।

নিহত ইয়ানুরের ভাই রাকিব হোসেন অভিযোগ করেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে স্বামী জুয়েল ইয়ানুরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় ১৮ সেপ্টেম্বর ইয়ানুরের বাবা হানিফ হাওলাদার ঢাকার কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ইয়ানুর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত জুয়েল মৃধাকে গ্রেপ্তারের দাবীতে সোমবার মানববন্ধন করেন ইয়ানুরের আত্বীয় স্বজন ও এলাকাবাসী।

এ মানববন্ধনে ইয়ানুরের বাবা হানিফ হাওলাদার ও মা গোলেনুর বেগমও বক্তব্য রাখেন।

আলীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান সাগর জানান, ইয়ানুরের  হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আমিও ইয়ানুর হত্যার বিচার চাই কিন্তু ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার বিষয়টি সমর্থন করি না।

দশমিনা থানার এস আই মো. ছগির জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে এবং ঘর ভাঙচুরর ও আগুনের ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।