যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপ ও পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক তৎপরতার কারণে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তেহরানে সফররত পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পেজেশকিয়ান বলেন, গত কয়েক মাসে ইরান ও পাকিস্তান সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে ধারাবাহিক বৈঠক মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ার স্পষ্ট প্রমাণ। বিশেষ করে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বৃদ্ধির মধ্যেই এই যোগাযোগ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তবে ইরানের প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে প্রকাশিত বৈঠকের বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী আগ্রাসন বন্ধে চুক্তি করতে পাকিস্তানের চলমান মধ্যস্থতার কোনো উল্লেখ করা হয়নি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, তেহরানে মহসিন নাকভির আলোচনায় ইরান-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলোই প্রাধান্য পেয়েছে। সম্ভাব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা বৈঠকের এজেন্ডায় ছিল না বলেও তারা জানিয়েছে।
এর আগে কাতারভিত্তিক আল জাজিরাসহ আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বার্তা নিয়ে ইরান সফরে গেছেন মহসিন নাকভি।
বৈঠকে পেজেশকিয়ান ইরান ও পাকিস্তানকে ‘এ অঞ্চলের শক্তিশালী দুটি দেশ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের বিপুল মানবসম্পদ ও সমৃদ্ধ সম্পদ রয়েছে। এসব সক্ষমতাকে একত্রিত করে একসঙ্গে কাজ করতে পারলে অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে অনেক প্রয়োজন পূরণ করা সম্ভব।
অন্যদিকে মহসিন নাকভি বলেন, ইরান-পাকিস্তান সম্পর্ক কখনোই বর্তমান সময়ের মতো উচ্চপর্যায়ে ছিল না। তেহরানের সঙ্গে সব ক্ষেত্রে সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও উন্নত ও জোরদার করতে পাকিস্তান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও জানান তিনি।
সূত্র : প্রেস টিভি