১১ দলীয় জোটের উত্তরাঞ্চলমুখী লংমার্চে যমুনা সেতু দিয়ে পার হওয়া কিছু গাড়ির টোল দেয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষ দেখে টোল আদায়কারীরা হয়তো ভয় পেয়েছিলেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল ভিন্ন সুরে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছে। জনস্বার্থে কর্মসূচি হলে তাতে আপত্তি নেই। তবে উত্তরাঞ্চলে প্রায় ৪৫০টি গাড়ি নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘জনমনে ধোঁয়াশা তৈরি করার জন্য ১১ দল লংমার্চ কর্মসূচি দিয়েছে।’
জ্বালানি সংকটের মধ্যে বিপুলসংখ্যক গাড়ি নিয়ে লংমার্চ আয়োজনের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, যমুনা সেতুর টোল আদায়ের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৪৫০টি গাড়ি এই বহরে ছিল। এতগুলো গাড়িতে কী পরিমাণ জ্বালানি ব্যয় হয়েছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
বৈশ্বিক সংকট বিবেচনায় না নিয়ে সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিরোধী পক্ষ ঢালাও অভিযোগ এবং ব্যক্তিগত আক্রমণ করছে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।
ডিজেলের দাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতি লিটার ডিজেলে ৯০ টাকা লোকসান দিতে হয় এবং মূল্য সমন্বয়ের পর ৭০ টাকা দিতে হবে। এ বিষয়ে বিরোধী পক্ষ জনগণকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় রাজশাহী রেলস্টেশনে একটি ছাত্র সংগঠনের ভাঙচুরের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘গুপ্ত বলে পরিচিত ছাত্র সংগঠন রাজশাহী রেলস্টেশনে নজিরবিহীন ভাঙচুর করেছে।’ পরিকল্পিতভাবে যারা ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে লংমার্চ করার আহ্বান জানান তিনি।
ঐতিহাসিক বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধিতা এবং জনগণের সঙ্গে বারবার প্রতারণার অভিযোগ তুলে রিজভী বলেন, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক শক্তি দীর্ঘদিনেও জনগণের চূড়ান্ত সমর্থন পায়নি।