নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় গাছের নারিকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাগনের লাঠির আঘাতে দীপংকর দাস (৪২) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত দীপংকর দাস ওই এলাকার মথুরা দাসের ছেলে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের লক্ষ্মীদিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নারিকেল পাড়া ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে দীপংকর দাসের সঙ্গে তার ভাগনে রুবেল চন্দ্র দাসের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন গাছের নারিকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ভাগিনা রুবেল লাঠি (গোদা) দিয়ে মামা দীপংকর দাসের শরীরে আঘাত করেন। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী বিউটি রানী দাস অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিনের পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে আমার স্বামীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এদিকে ঘটনার পর থেকে মূল অভিযুক্ত রুবেল চন্দ্র দাস পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে।
হাতিয়া থানার ওসি মো. কবির হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত রুবেলকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটন করা যাবে।