নেশন্স লিগেও কাটেনি দুর্দশা, বেলজিয়ামের কাছে ২ গোলে হারল ইতালি

বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বারের মতো জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হওয়ার পরও ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না ইতালি। উয়েফা নেশন্স লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ফিনিশিং ব্যর্থতার পর বেলজিয়ামের কাছে তারা হজম করেছে দুই গোল (২-০)। বিপরীতে বেলজিয়ামের নতুন কোচ মার্ক ফন বোমেল জয় দিয়ে অভিযান শুরু করলেন।

গত মার্চে বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার কাছে প্লে-অফে হেরে দুই আসর পর বিশ্বকাপে ফেরার স্বপ্ন ভেস্তে যায় ইতালির। এরপর চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ঘরের মাঠ রোমের অলিম্পিকো স্টেডিয়ামে নেমে হতাশা নিয়ে ফিরল। দুই অর্ধে তাদের জালে গোল দিয়েছেন বেলজিয়ামের মিকা গটস ও দোদি লুকেবাকিও।

রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর পর ইতালিয়ান ফুটবলাররা যখন মাঠ ছাড়ছেন উচ্চস্বরে তাদের দুয়োধ্বনি শোনান স্বাগতিক সমর্থকরা। যা নিয়ে কোচ মানচিনি বলেন, ‘আমরা হারলে কেউ খুশি হয় না। যখন আপনি হারবেন আপনাকে দুয়োধ্বনি শুনতে হতে পারে।’

এর আগে অবশ্য পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমে ইতালি বেশ ভালোই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। ম্যাচজুড়ে প্রায় ৫৫ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে গোলের জন্য ২১ শটের ছয়টি লক্ষ্যে রেখেও একবারও সফল হয়নি তারা। বেলজিয়ামের ১৯ শটের আটটি ছিল লক্ষ্যে। এর আগে ম্যাচের ২০ মিনিটে একজনকে কাটিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে জোরালো শটে মিকা গটস প্রথম গোলটি করেন। তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে জাতীয় দলে এটি তার প্রথম গোল।

পরের কয়েক মিনিটে বেলজিয়াম আরও কয়েকটি ভালো সুযোগও পায়, তবে ইতালিয়ান গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুমা আর ব্যবধান বাড়তে দেননি। ২৩ মিনিটে ডে কেটলার ও নিকোলাস রাসকিনের পরপর দুটি শট এবং খানিক বাদে গোটসের ক্ষিপ্রগতির হেড ঠেকান ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা। বিপরীতে বেলজিয়াম গোলরক্ষকের তেমন পরীক্ষা নিতে পারেনি ইতালির ফরোয়ার্ডরা, কয়েকটি গোছানো আক্রমণ করে দ্বিতীয়ার্ধে।

৪৭তম মিনিটে প্রথম স্বাগতিকদের একটি কোনাকুনি শট পা দিয়ে আটকান বেলজিয়াম গোলরক্ষক সেনে লেমেন্স। এরপর তাদের আরেকটি হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট এবং দুই মিনিট পর ফ্রান্সেসকো এসপোসিতোর হেড বাধাপ্রাপ্ত হয়। আক্রমণে ব্যস্ত থাকলেও ৬৯ মিনিটে দ্বিতীয় গোল খেয়ে আরও পিছিয়ে পড়ে ইতালি। বদলি নামা লুকেবাকিও ২৫ গজ দূর থেকে জোরালো শটে জাল কাঁপান। শেষ পর্যন্ত ২-০ লিড ধরে রেখে বেলজিয়াম মাঠ ছাড়ে।