নামে ফাইনাল হলেও মাঠের চিত্র ছিল ভিন্ন; ফেবারিট আর্জেন্টিনাকে যেন স্রেফ চেপে ধরেছিল স্পেন। যদিও গোলের ডেডলক ভাঙতে স্পেনের লেগেছে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ, তবে পুরো ম্যাচের পরিসংখ্যান বলছে তাদের একচেটিয়া আধিপত্যের কথা। আক্রমণ আর বল দখলের জাদুতে পুরো ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে মেসিবাহিনীকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল স্প্যানিশরা।
১-০ গোলে জেতা এই ম্যাচে সবচেয়ে বেশি চারটি শট নেন লামিন ইয়ামাল। গোল কিংবা অ্যাসিস্ট না করতে পারলেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮৭ বার বলে পা পড়েছে তার। বড় সুযোগও তৈরি করেছেন একবার। গোলমুখে শট ছিল দুটি।
১০ জনের আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এক গোল দেওয়ার পর যখন স্পেনের অন্যরা শেষ বাঁশি বাজবে কখন, সেই অপেক্ষায় ছিলেন, তখন ইয়ামাল শেষ বাঁশি বাজার পর হতাশই হয়েছিলেন। কারণ তিনি চাইছিলেন, খেলাটা আরও কিছু সময় হোক। বেশ উপভোগ করছিলেন তিনি।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-কে ইয়ামাল বললেন, ‘আমরা বিশ্বকাপের ফাইনালে ছিলাম এবং আমি খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। আমি কখনো ভাবিনি যে শেষ বাঁশি বেজে উঠবে, আমি তো খেলাটা উপভোগ করছিলাম।’
তিনি ব্যাখ্যা করলেন, ‘ফুলব্যাক আমাকে রোবটের মতো থামানোর চেষ্টায় ছিল। রোবটগুলো প্রায় নিখুঁত, কিন্তু মানুষের মধ্যে এমন কিছু আছে যা রোবটের নেই। ফুটবল যান্ত্রিক হয়ে উঠেছে, কিন্তু এমন খেলোয়াড়ও আছেন যাদের মধ্যে সেই বিশেষ স্ফুলিঙ্গটি রয়েছে।’
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফেরান তোরেসের গোলে পরিণত হওয়া মুভটির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমনভাবে খেলার চেষ্টা করি, যাতে যান্ত্রিকভাবে তাদের পক্ষে আমাকে সামলানো কঠিন হয়ে ওঠে।’