কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খান আবিদ। তিনি বলেছেন, সালমান মুক্তাদির জুলাইয়ের সহযোদ্ধা এবং তার স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় তারা ‘লজ্জিত’।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ প্রতিক্রিয়া জানান ঢাবি ছাত্রদলের এই নেতা।
পোস্টে আবিদ লিখেছেন, ‘সালমান মুক্তাদির জুলাইয়ের সহযোদ্ধা। আমরা লজ্জিত। ক্রিমিনালদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে শাস্তির আওতায় আনার জন্য প্রশাসনকে আহ্বান করছি। পুরো ঘটনাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসন্ধান করে জাতির সামনে উপস্থাপন করুন।’
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজ এলাকায় সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে’ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এখনো কোনো মামলা হয়নি।
ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির অভিযোগ করেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর জেরে তার স্টুডিওতে হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, হামলাকারীদের একটি অংশ বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে পুলিশ বলছে, সালমানের স্টুডিও হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল না। নিউ গিনি প্রপার্টিজের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের বিরোধের জেরেই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ নাজমুল হক জানান, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে এক পক্ষ জায়গা দখল করতে গেলে সেখানে থাকা স্টুডিওটি ভাঙচুরের শিকার হয়। পুলিশ বলছে, হামলাকারীরা হয়তো জানতেন না যে সেখানে সালমানের স্টুডিও রয়েছে।
এদিকে হামলার পর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওর চেয়ার, টেবিল, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন আসবাব ও সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়। সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ও মালামাল লুটের অভিযোগও ওঠে।
ঘটনাটি নিয়ে একদিকে সালমান মুক্তাদির চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন, অন্যদিকে পুলিশ এটিকে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘটিত হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছে। এর মধ্যেই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তির দাবি জানালেন ঢাবি ছাত্রদল নেতা আবিদ।