সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে এখনো ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ যাচাই কার্যক্রম চলবে। এরপর যাচাইয়ের ফলের ভিত্তিতে কতজনকে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের অনেকের ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে। আবার কারও কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। এ কারণে নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে তাঁদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা এসব তথ্য যাচাই করছেন। যাচাই শেষে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম চলছে এবং যাচাইয়ের অগ্রগতিও ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এখনো ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই করা বাকি রয়েছে। কারও ঠিকানা বা প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করা হবে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এরপর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কয়েকটি গণমাধ্যমে এমন কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। কারণ, গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পরও সংশ্লিষ্ট অনেক প্রার্থী নিয়োগপত্র পেয়েছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। তাই যাঁরা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাঁদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।
তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।