ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও গণহারে ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ১২ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্রের বরাতে এয়ারটেল, রিলায়েন্স জিও ও ভোডাফোন আইডিয়ার মতো টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যন্তর মন্তর এবং এর দেড় কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দিল্লি বা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভোটার তালিকায় অনিয়ম এবং গণহারে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি এআইএসএ, এসএফআই, এনএসইউআইসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা বিক্ষোভে অংশ নেন।
ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই পুলিশের বরাতে জানিয়েছে, বিক্ষোভের জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকা থেকে ৭০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে গত জুলাইয়েও দিল্লির যন্তর মন্তর ও মধ্য দিল্লির কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছিল। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) আন্দোলনের সময় ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
তিন মাসের ব্যবধানে ফের বিক্ষোভের মুখে দিল্লির একটি এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলো।