দিনাজপুরের এক হাসপাতালে ৯ মাসে রেকর্ড ৪৯৭ নরমাল ডেলিভারি

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (৫০ শয্যার হাসপাতাল) চলতি বছরের নয় মাসে ৪৯৭জন প্রসূতিকে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। নানা সংকট নিয়েও নিরাপদ মাতৃত্বের প্রত্যাশায় এখন প্রসূতিদের ভরসার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এখানে গাইনি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন এবং অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক না থাকায় প্রসূতিদের সিজারিয়ান অপারেশন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এই কারণে কর্তৃপক্ষ নরমার ডেলিভারির প্রতি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। চারজন মিডওয়াইফ পালাক্রমে দিন-রাত নরমাল ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত থাকেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ, সিনিয়র স্টাফ নার্সদের সহায়তা ও মিডওয়াইফদের দক্ষতায় নিরাপদ ভাবে প্রসূতিদের নরমাল ডেলিভারি করানো হয়।

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ৫৭টি, ফেব্রুয়ারিতে ৭২টি, মার্চে ৫১টি, এপ্রিলে ৪৮টি, মে মাসে ৪৬টি, জুনে ৩৪টি, জুলাইয়ে ৪৯টি, আগস্টে ৬৩টি এবং সেপ্টেম্বরে ৭৭টি নরমাল ডেলিভারি হয়েছে। এ হিসেবে নয় মাসে মোট ৪৯৭টি নরমাল ডেলিভারি সম্পন্ন হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহরিয়ার পারভেজ বলেন, এখানে গর্ভবতী মায়েদের নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ দেওয়া হয়। নরমাল ডেলিভারির পাশাপাশি সিজারিয়ান অপারেশনের ব্যবস্থা করা গেলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রসূতি সেবায় পূর্ণাঙ্গতা পাবে। এজন্য গাইনি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন এবং অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসকের পদায়ন খুবই জরুরি। এই ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। গাইনি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন এবং অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক পদায়িত হলে প্রসূতিদের সিজারিয়ান বিষয়ে দুর্ভোগ লাঘব হবে।