ফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলের শোচনীয় হারের তেঁতো স্বাদ পায় বাংলাদেশ। এরই মাঝে নতুন বিতর্কে জড়ায় দুই বাংলাদেশি ফুটবলার। ইন্দোনেশিয়ার কাছে হারের পর দুই ফুটবলার সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়রের বিরুদ্ধে নাইট ক্লাবে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই বিতর্কের সত্যতা খতিয়ে দেখতে শুরু হচ্ছে আনুষ্ঠানিক তদন্ত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া ভাতাও হারাতে পারেন এই দুই ফুটবলার।
যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাদ ও সোহেল। তাদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি পুরোনো এবং ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শেষ হওয়ার পরের কোনও ঘটনার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। তবে বিতর্কটি নিয়ে গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
রোববার (৫ অক্টোবর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ টাওয়ারে এশিয়ান গেমসে উশুতে পদকজয়ী জিন্নাত আক্তারকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমিনুল হক জানান, অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আমিনুল হক বলেন, ‘ফুটবলের ফলাফল এমনিতেই খুব বাজে হয়েছে। তার ওপর এই অভিযোগ এসেছে। আমি অত্যন্ত হতাশ। তৎকালীন দলের দায়িত্বে বা ম্যানেজমেন্টে কারা ছিলেন, আমরা সেটিও খতিয়ে দেখছি।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি পরিষ্কার করে বলছি, তাদের নাইট ক্লাবে যাওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর তারা যদি ক্রীড়া ভাতা কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকেন, তবে তাও বাতিল করা হবে।’
বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘আমি বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন। তিনি ফিরলে বাকি বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করবো। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের পারফরম্যান্সের পর তারা কীভাবে এমন কাজ করার সাহস পেলো, তাও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। পুরো বিষয়টিরই নিরপেক্ষ তদন্ত হবে।’