শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা, মূল্যায়ন ও পেশাগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ছাড়া দেশ ও জাতির কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব নয়। আর শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী দেশ ও জাতি গঠনে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন। এ ব্যবস্থা উন্নত করতে হলে শিক্ষকদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। তাদের যথাযথভাবে গড়ে তোলা, মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কাজ সরকার শুরু করেছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের জন্য নীতিমালা প্রণয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলো কাজ করছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারে সাড়ে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক রয়েছেন। এর বাইরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও কয়েক লাখ শিক্ষক প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত আছেন। তাদের সঠিক অবস্থান, মর্যাদা, বেতন কাঠামো থেকে শুরু করে সামাজিক সম্মানসহ সবকিছু সঠিক জায়গায় নিতে কাজ করতে হবে।’
শিক্ষকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মর্যাদার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নিজের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছি। তাই শিক্ষকতার সঙ্গে আমার একটি আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।