কেশবপুরে স্কুলছাত্রসহ ১১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

কেশবপুরে দিন দিন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুধবার এক স্কুল ছাত্রসহ ১১ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

অক্রান্তরা হলেন, উপজেলার কড়িয়াখালি গ্রামের সাহেব আলী গাজীর স্ত্রী জাহানারা বেগম, শ্রীরামপুর গ্রামের শামীম রেজা স্ত্রী পারভিন আক্তার, আলতাপোল গ্রামের মৃত কুদ্দুসের স্ত্রী জাহানারা খাতুন, চিংড়া গ্রামের আনিসুর রহমানের স্ত্রী পপি, পার্শ্ববর্তী মনিরামপুর উপজেলার মুজগুন্নি গ্রামের হারুন আর রশিদের ছেলে উত্তর মুজগুন্নি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র তৌফিক হাসান তামিম, আলতাপোল গ্রামের মৃত মেহের আলীর ছেলে আবুল কাশেম,কেশবপুর পৌর শহরের হিরালাল সাহার ছেলে গৌতম সাহা, চালিতাবাড়িয়া গ্রামের হাসান আলীর ছেলে তরিকুল ইসলাম, সাবদিয়া গ্রামের পীর আলী সরদারের ছেলে বিল্লাল হোসেন, মনিরামপুর উপজেলার ইচানী গ্রামের আবুল খায়ের সানার ছেলে কওসার আলী ও বাঘারপাড়া উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের কুমার দেবলালের ছেলে তপন।

আক্রান্ত পপি বলেন, কোনক্রমেই তার বমি বন্ধ হচ্ছে না। স্কুল ছাত্র তৌফিক হাসান তামিম জানায়, তার মাথা যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়ছে। সে তার অভিভাবকদের সঙ্গে এসে বুধবার সকালে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়।

এদিকে কেশবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আলা জানান, তার ইউনিয়নের মুলগ্রামের গৌরাঙ্গের স্ত্রী মধুমিতা ও তার ছেলে কৌশিক এবং স্বতেশের শিশু ছেলে উৎস্য ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, তার ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক সভা সমাবেশ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আহসানুল মিজান রুমি বলেন, পৃথক দুটি ওয়ার্ড করে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ রয়েছে। কোন রোগীকে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে না। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে অনেক রোগী ইতিমধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

আরও পড়ুন: বিরামপুরে নদীতে গোসল করতে নেমে ছাত্র নিখোঁজ

কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল বলেন, এডিস মশা ও লার্ভা নির্মূলের জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। তাছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে পরিষ্কার পরিছন্নতাসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু