হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) অতনু বণিকের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিকে মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ঘুস নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে মাসুদ আলম নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পেজ ‘আইটিভি’-তে ভিডিওটি প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে। ভিডিওতে এএসআই অতনু বণিকের সঙ্গে এক ব্যক্তির কথোপকথন এবং অর্থ লেনদেনের দৃশ্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিডিওটি প্রায় ছয় মাস আগের। তৎকালীন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামের দায়িত্ব পালনকালে ঘটনাটি ঘটেছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।
এর আগে সোমবার (৫ অক্টোবর) একই থানার আরেক এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের ঘুস সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাকে থানা থেকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়।
দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরপর ঘুস সংক্রান্ত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এএসআই অতনু বণিক ভয়ভীতি দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অতনু বণিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি যাচাই করে এর সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত প্রেক্ষাপট বের করা হোক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি। বিস্তারিত জেনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অভিযুক্ত এএসআই অতনু বণিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।