ডা. শামীমা পারভীনের লাশ উত্তোলন, পাঠানো হলো সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যালে

ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের প্রায় তিন মাস পর অধ্যাপক ডা. শামীমা পারভীন লস্করের লাশ বনানী কবরস্থান থেকে উত্তোলন করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশটি উত্তোলন করা হয়। আগামীকাল (৭ অক্টোবর) বুধবার মেডিক্যাল বোর্ডের উপস্থিতিতে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

ডা. শামীমা পারভীন লস্কর শমরিতা মেডিক্যাল কলেজের অ্যানাটমি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। গত ৯ জুলাই মিরপুর ডিওএইচএসের ২ নম্বর অ্যাভিনিউয়ের ১০ নম্বর সড়কের ৬৩২ নম্বর বাড়িতে রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তার স্বামী আরিফ হোসেন তথ্য গোপন করে দ্রুত বনানী কবরস্থানে দাফন করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মৃতের বড় বোন কানিজ ফাতেমা গত ২৮ জুলাই ঢাকার আদালতে আরিফ হোসেনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটি পল্লবী থানা পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তের প্রয়োজনে লাশের ময়নাতদন্তের প্রয়োজন দেখা দিলে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটুস লরেন্স চিরান লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।

ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে বনানী কবরস্থানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শহীদ উল্লাহর উপস্থিতিতে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়। এ সময় মামলার বাদী কানিজ ফাতেমা, মৃতের ভাই মো. সারোয়ার হোসেন, মৃতের বড় বোনের মেয়ে টুয়া, বাদীর স্বামী ডা. নবী এবং মামলার সাক্ষী মোহাম্মদ রাজেশ গনি উপস্থিত ছিলেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই মোহাম্মদ তোহা বলেন, লাশ উত্তোলনের পর তা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বুধবার বোর্ডের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। পরে লাশটি আবার বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।