গুলি করে সেনাবাহিনীর সাবেক মেজরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ট্রাম্পের অনুমোদন

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে কার্যকরের অনুমোদন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুডে গুলি চালিয়ে ১৩ জনকে হত্যার দায়ে তিনি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন। নিহত সবাই ছিলেন মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্য।

সোমবার (৫ অক্টোবর) মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শন পার্নেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সুপারিশের ভিত্তিতে কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে ট্রাম্প মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকরের অনুমোদন দিয়েছেন।

তবে কখন ও কোথায় এই দণ্ড কার্যকর করা হবে, তা যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সচিব নির্ধারণ করবেন বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের ভাষ্য, ২০০৯ সালের ওই হামলার সময় মেজর হাসান ‘আল্লাহু আকবর’ বলে স্লোগান দিয়েছিলেন। তার হামলার পেছনে মুসলিম দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়া কাজ করেছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন ফায়ারিং স্কোয়াডের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক শক ও বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহারের মতো কয়েকটি পদ্ধতির অনুমোদন দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রধান পদ্ধতি ছিল প্রাণঘাতী ইনজেকশন। তবে এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ওষুধ সংগ্রহে জটিলতা তৈরি হওয়ায় বিকল্প পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরই মধ্যে গত সপ্তাহে টেনেসি অঙ্গরাজ্যে এক নারীর মৃত্যুদণ্ড প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে কার্যকরের চেষ্টা করা হয়। তবে ইনজেকশন দেওয়ার পরও তার মৃত্যু হয়নি। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।