দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্ত দিয়ে এক নারী ও তার শিশু কন্যাকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে সেই চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে বিজিবি ফুলবাড়ী ২৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফ উজ জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুজনের নাম- সুলতানা বেগম (৪০) ও তার মেয়ে আলেয়াকে (১০)। তারা ভারতের আজমির জেলার দারোগা বাজার থানার আন্দারকোট গ্রামের মুহিন ইসলামের স্ত্রী ও মেয়ে।
এর আগে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ফুলবাড়ী উপজেলার ১ নম্বর এলুয়ারি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জলপাইতলী বিজিবি বিওপি ক্যাম্প সংলগ্ন সীমান্তের মেইন পিলার ৩০৩ এর ৫ সাব পিলার থেকে ২০ গজ দূরে ভারতের জাকিরপুর এলাকা ভারতীয় ওই নারী ও শিশুকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে পুশইনের চেষ্টা করে। এ ঘটনার পরপরই বিজিবি এবং স্থানীয় জনগণের তৎপরতায় তারা বাংলাদেশ অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেনি। বর্তমানে তারা সীমান্তের শূন্যরেখা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানায়, বিএসএফ ভোরে ভারতীয় ওই নারী ও তার মেয়েকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে জোরপূর্বক পুশইনের চেষ্টা চালায়। এ সময় সীমান্তের শূন্যরেখায় ওই দুজনকে মারধরও করে বিএসএফ। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবিকে খবর দেয়। পরে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পেরে দুজন শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান বলেন, পুশইনের শিকার ভারতীয় ওই নারী তার মেয়ের কাছে ভারতীয় আধার কার্ড রয়েছে। সকালে আমি বিষয়টি বিজিবিকে জানাই। পরে তারা সীমান্তের বানাহার এলাকায় গ্রামবাসীসহ অবস্থান নেন।
বিজিবি ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফ-উজ-জামান বলেন, ভোরে বিএসএফ এক ভারতীয় নারী ও এক শিশুকে পুশইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের তৎপরতায় তা ভেস্তে যায়। তাদের কাছে ভারতীয় আধার কার্ড রয়েছে। তারা হিন্দি ভাষায় কথা বলে। বর্তমানে তারা শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।