রবীন্দ্রনাথের ৭৮তম প্রয়াণ দিবসে সুরধারার স্মরণ

আধুনিক বাংলা গানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একজন পথপ্রদর্শক। পৃথিবীর বহু বৈচিত্র্যময় সুর ও ছন্দে প্রায় ২ হাজার বাংলা গান রচনা করেছেন তিনি। রবীন্দ্রনাথের গান ব্যথিত ক্লান্ত হূদয়কে প্রশান্তিতে ভরে তোলে, তাই সুখ-দুঃখ, নিরাশা কিংবা আশায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আজও নীরবে রয়েছেন বাঙালির সব অনুভূতির কেন্দ্রবিন্দুতে।

গত ৭ আগস্ট সন্ধ্যায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর সুরধারা সংগঠনের উদ্যোগে শৈশব ও চন্দনাইশ সংগীত নিকেতনের সহযোগিতায় নগরীর ডিসি হিল সংলগ্ন ফুলকির এ কে খান মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে সংগঠনের আহ্বায়ক শুভাগত চৌধুরীর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফুলকি অধ্যক্ষ শীলা মোমেন।

সংক্ষিপ্ত আলোচনায় রবি ঠাকুরের সাহিত্যজীবন সম্পর্কে ব্যাপক আলোচনা করে উপস্থিত দর্শকদের মোহিত করেন তিনি। আলোচনা শেষে ‘অশ্রু নদীর সুদূর’ গানটি নিয়ে মঞ্চে আসেন সীমা পাল। এরপর আলপনা বড়ুয়া ‘জীবন মরণ সীমানা’ ও মশিউল আনোয়ার খান পরিবেশন করেন ‘তোমার অসীমে প্রাণ মন’ গানটি।

আবৃত্তিশিল্পী মিলি চৌধুরীর সঞ্চালনায় মঞ্চে বনানী চক্রবর্তী ‘আমার হিয়ার মাঝে’, সুমিত্রা বিশ্বাস ‘আমি কান পেতে রই’ রূপা দত্ত ‘আজ কিছুতে যায় না’, নন্দিনী রায় ‘তুই ফেলে এসেছিস কারে’, অসীম শর্মা ‘আমি হূদয়েতে পথ কেটেছি’, অর্পিতা দাশ ‘শ্রাবণের ধারার মতো’, সীমা পাল, ‘আজ শ্রাবণের পূর্ণিমাতে’, ‘আজি বিজন ঘরে’, কমল গন্ধা দত্ত  ‘আমারে কর মার্জনা’, ছায়া ঘনাইয়াছে’, শ্যামলী পাল ‘আজ যেমন করে’, ‘কোলাহল তো বারণ’, ‘তোমায় গান শোনাবো’, শুভাগত চৌধুরী ‘এ পথে আমি যে’, ‘তুমি কী কেবলই ছবি’ গানগুলো পরিবেশন করেন।

সবশেষে দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করেন শুভাগত চৌধুরী ও শ্যামলী পাল।

অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্রে ছিলেন কি-বোর্ডে নিখিলেশ বড়ুয়া, তবলায় প্রীতম আচার্য, বাঁশিতে প্রাণেশ্বর ভট্টাচার্য্য ও অক্টোপ্যাডে রনি চৌধুরী।