দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিতে মুম্বাই থেকে রওনা হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে। দিল্লিতে পৌঁছানোর পর তাকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানিয়েছেন, এ নিয়ে তার কোনো উদ্বেগ নেই।
বার্তা সংস্থা এএনআইকে অভিজিৎ বলেন, ‘তারা যদি আমাকে আটক বা গ্রেপ্তার করতে চায়, করুক। আমি তার জন্য প্রস্তুত। আমাকে গ্রেপ্তার করুক বা আটক করুক, তাতে আমার কিছু যায়-আসে না।’
এএনআইয়ের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিতে মুম্বাই থেকে দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা করছেন অভিজিৎ।
দিল্লির পথে রওনা হওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘যন্তর মন্তর ২.০ শুরু হয়ে গেছে। জ্ঞানেশ কুমার, ভোট চুরিতে আপনার সহায়তা করার দিন শেষ হয়ে গেছে।’
বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার কথা ধ্রুব রাঠিরও
যন্তর মন্তরের এই কর্মসূচিতে জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে। অভিজিৎ দীপকসহ ককরোচ জনতা পার্টির অন্য নেতারা আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ১০ অক্টোবরের ‘যন্তর মন্তর ২.০’ কর্মসূচিতে ধ্রুব রাঠি যোগ দেবেন।
আন্দোলনে অংশ নিতে ভারতে এসে ধ্রুব রাঠিও কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এটা গণতন্ত্র বাঁচানোর লড়াই। ১০ তারিখে কেউ দিল্লি আসতে ভুলবেন না।’
দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার
ককরোচ জনতা পার্টির পরিকল্পিত বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে যানবাহন চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিক্ষোভের আগে দিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ায় শহরটিকে কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ পদক্ষেপের সমালোচনা করে শুক্রবার ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার তরুণ প্রজন্মকে ভয় পাচ্ছে। তাদের ভাষ্য, ‘জেন জি-কে ভয় পাচ্ছে, তাই জরুরি অবস্থা’ জারি করা হয়েছে।
বেঙ্গালুরু থেকে ফিরে মুম্বাই বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় অভিজিৎও কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘তরুণদের এত ভয় পেলে পুরো দেশই বন্ধ করে দিন।’