সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিন শতাধিক মানুষ। এ ঘটনার পর ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। জোটটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন মেনেই হামলার জবাব দেওয়া হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বেলা ৩টার দিকে বিমানবন্দরের যাত্রী টার্মিনাল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এর এক দিন পর রোববার সৌদি জোটের পক্ষ থেকে হামলাটিকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল মালিকি বলেন, বিমানবন্দরের যাত্রী টার্মিনালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, এ ধরনের হামলা সুস্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ।
হুথিদের এ হামলাকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি মানবিক ও নৈতিক—উভয় দিক থেকেই অগ্রহণযোগ্য। এ ঘটনার জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
হামলায় নিহত ১২ জনের মধ্যে দুইজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, মিসর, জর্ডান, সিরিয়া, ফিলিস্তিন ও সুদানের একজন করে নাগরিক নিহত হয়েছেন। বাকি পাঁচজন সৌদি আরবের নাগরিক।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের সবাইকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হামলায় প্রাণহানির পাশাপাশি বিমানবন্দরের অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে কাজ চলছে।
ভয়াবহ এ হামলার পরপরই রিয়াদ বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা বন্ধ করে দেয় সৌদি কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: সৌদি গ্যাজেট