নতুন সাইবার সুরক্ষা আইনে করা বহুল আলোচিত সাইবার বুলিং মামলা থেকে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি (খালাস) পেয়ে মোবাইল ফোন ফেরত পেয়েছেন মোংলা প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট নির্বাচিত প্রথম কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য, সাবেক সময় টেলিভিশনের চিত্রগ্রাহক, স্বদেশ প্রতিদিন ও দৈনিক যশোর পত্রিকার মোংলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মাসুদ রানা (রেজা মাসুদ)।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে আদালত বাদী-বিবাদীর উপস্থিতিতেই এই মামলাটি নিষ্পত্তির ঘোষণা প্রদান করেন।
প্রসঙ্গত, পূর্বের একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপপ্রচারের অভিযোগ এনে বাগেরহাটের মোংলার ময়লাপোতা এলাকার এক নারীর পক্ষে তার ভাই সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিক রেজা মাসুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন গত ২ সেপ্টেম্বর উক্ত মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে ৩ সেপ্টেম্বর আদালতে প্রেরণ করেছিল। গ্রেপ্তারের দুই দিন পর ৬ সেপ্টেম্বর আদালত থেকে জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছিলেন সাংবাদিক রেজা মাসুদ।
তবে শুরু থেকেই এই মামলাটিকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক ও সাজানো’ বলে দাবি করে আসছিলেন মোংলা প্রেস ক্লাবের সহকর্মী সাংবাদিক ও স্থানীয় সচেতন মহল।
রেজা মাসুদের দাবি ছিল, তিনি এলাকায় ইয়াবা ও মাদক কারবারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। পুলিশ সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ায় সামাজিকভাবে সচেতনতা সৃষ্টিতে তিনি তথ্য ও প্রমাণসহ মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। আর এই মাদকবিরোধী সত্য প্রকাশের আক্রোশেই একটি কুচক্রী মহল বাদীকে ভুল তথ্য দিয়ে তাকে এই ষড়যন্ত্র মূলক মামলায় ফাঁসিয়েছেন।
সাংবাদিক রেজা মাসুদ বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলাটি আজ বিজ্ঞ আদালত নিষ্পত্তি ঘোষণা করেছেন এবং জব্দকৃত আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও আদালত থেকে ফেরত পেয়েছি। দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি আমার সবসময়ই পূর্ণ আস্থা ছিল, আজ তা আবারও প্রমাণিত হলো। এই বিপদে-আপদে যেসব সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী আমার পাশে থেকেছেন, সাহস দিয়েছেন ও দোয়া করেছেন- তাদের সবার প্রতি আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও জানান, কোনো ধরনের বাধা বা ষড়যন্ত্র তাকে থামিয়ে রাখতে পারবে না এবং এলাকার মাদকের বিরুদ্ধে তার সোচ্চার ভূমিকা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।