কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন

নিহতদের ময়নাতদন্ত চান না স্বজনরা

কক্সবাজারের ইনানীর পাটুয়ারটেকের টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ১০ মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসাপাতাল মর্গের হিমাগারে রাখা হয়েছে। নিয়মানুসারে অস্বাভাবিক মৃত্যুর সব দেহ ময়নাতদন্ত বাধ্যতামূলক। তবে টুপটুপে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা আবেদন করেছেন বিনা-ময়নাতদন্তে মরদেহগুলো যেন ফেরত দেওয়া হয়। তবে পরিচয় শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত ঐসব মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সক ডা. এস এম সোহেল বলেন, রবিবার বিকালে আমরা মরদেহ থেকে ডিএনএর স্যাম্পল সংগ্রহ করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে দিয়েছি। কিন্তু ময়নাতদন্ত করিনি। তিনি আরো বলেন, নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে ময়নাতদন্ত না করা আবেদন করা হয়েছে বলে জেনেছি। আর আমরা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনামতো কাজ করছি।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) তাসনীম জাহান বলেন, আমরা পাঁচটি মরদেহের ময়নাতদন্ত না করার আবেদন পেয়েছি। এছাড়া, আরো কিছু আবেদন কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বলে খবর পেয়েছি। তবে আমরা এখনো নিশ্চিত নই কোন মরদেহ কার। যারা আবেদন করছেন সেই মরদেহগুলো যে তাদের স্বজনদের তা নিশ্চিত হওয়া আগে জরুরি। তাই ডিএনএ প্রতিবেদন না পাওয়ার আগে আমরা কোন আবেদন বিবেচনায় নিব না। তবে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রতিবেদন পাওয়ার আগ পর্যন্ত ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, এটি সরাসরি হত্যা মামলা নয়। তাই এই মামলার ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত না হলে তেমন আইনি জটিলতা তৈরি হবে না। তিনি আরো বলেন, অবহেলাজনিত কারণে মৃত্যুর ধারায় মামলাটি লিপিবদ্ধ হয়েছে। এই ধারায় সাজা হচ্ছে কমপক্ষে ১০ বছরের কারাদণ্ড।