নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ

নতুন চাকরিতে যোগ দিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না আনোয়ারের

নতুন চাকরিতে যোগ দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন আনোয়ার হোসেন (৩০)। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে বাড়ি ফেরার আগেই নাটোরের বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি। 

বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে ওই দুর্ঘটনায় আনোয়ার হোসেন ছাড়াও ১৩ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হন।

আনোয়ার রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের চাঁইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। 

সম্প্রতি একটি প্রকল্পে নতুন চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়ায় বাস থেকে নেমে বাড়ি পৌঁছানোর কথা ছিল তার। পরিবারের সদস্যদের মুঠোফোনে বাড়ি ফেরার খবরও জানিয়েছিলেন।

আনোয়ারের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে চাঁইপাড়া গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম শুরু হয়। তার স্ত্রী ফাতেমা বিবি দুই সন্তানকে নিয়ে উপজেলার কনোপাড়া গ্রামে বাবার বাড়িতে ছিলেন। সেখানেই স্বামীর মৃত্যুর খবর পান তিনি। পরে সন্তানদের নিয়ে স্বামীর বাড়িতে ফিরলেও শোকে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছিলেন।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আনোয়ারের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তার পরিবারকে জানানো হয়েছে। মরদেহ হস্তান্তরের জন্য থানা-পুলিশ বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী আরপি পরিবহনের বাসটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে নাটোর, রাজশাহীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।