যন্তরমন্তরে আর আন্দোলন না করার প্রতিশ্রুতিতে ছাড়া পেলেন ককরোচের দুই নেতা

দিল্লির যন্তরমন্তরে ভবিষ্যতে আর কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচি না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে সাত দিন পর কারামুক্ত হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। বুধবার (২১ অক্টোবর) দিল্লির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই শর্তে তাদের মুক্তির আদেশ দেয়।

এর আগে দিল্লি হাইকোর্টে শুনানির সময় আদালত দুই নেতাকে প্রশ্ন করে, আন্দোলন নিষিদ্ধ থাকার পরও কেন তারা যন্তরমন্তরে গিয়েছিলেন এবং সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে। জবাবে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা যন্তরমন্তরে আর কোনো সমাবেশের ডাক না দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

গত ১০ অক্টোবর প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তরমন্তরে সমাবেশের আহ্বান জানায় সিজেপি। তবে ওই দিন কাউকে সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। উল্টো দলটির প্রধান অভিজিৎ দীপসহ সৌরভ ও আশুতোষকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়। পরদিন তারা ছাড়া পান।

এরপর অভিজিৎ দীপ দাদির মৃত্যুতে পরিবারের পাশে থাকতে বাড়ি চলে যান। কিন্তু সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা ১৩ অক্টোবর পুনরায় যন্তরমন্তরে গিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন। এই ঘটনায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়।

তাদের আটকের প্রতিবাদে ১৫ অক্টোবর দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উত্তোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেন অভিজিৎ দীপ। সেদিনও তাকে আটক করা হয়। পরদিন তিনি মুক্তি পেলেও সৌরভ ও আশুতোষকে হেফাজতে রাখা হয়।

সাত দিন হেফাজতে থাকার পর বুধবার আদালতের শর্তসাপেক্ষে তারা অবশেষে মুক্তি পান।