ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে ওয়ানডে অভিষেক হয়েছে স্পিনার আলিস আল ইসলামের। অভিষেক ম্যাচেই আলিসের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ বলে অভিযুক্ত করেছেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি জানিয়েছে, ম্যাচ কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনে আলিসের বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। আইসিসির অবৈধ বোলিং অ্যাকশনবিষয়ক বিধিমালা অনুযায়ী, স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে তার বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করা হবে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ৮.৩ ওভার বোলিং করে ৪৭ রান দেন আলিস। তবে কোনো উইকেট পাননি তিনি। ম্যাচটিতে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হেরে যায়।
এর আগেও দুইবার আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল। দুটি ঘটনাই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল)। ২০১৯ সালে বিপিএলে অভিষেক মৌসুমে প্রথমবার এবং ২০২৫ সালে দ্বিতীয়বার তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন কী?
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, বল করার সময় বোলারের কনুই সোজা করার মাত্রা নির্ধারিত সীমা ছাড়ালে বোলিং অ্যাকশন অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কনুই অনুভূমিক অবস্থানে আসা থেকে বল ছাড়ার মধ্যবর্তী সময়ে ১৫ ডিগ্রির বেশি সোজা হলে তা অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের আওতায় পড়ে।
মাঠে ম্যাচ কর্মকর্তারা পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট বোলারকে রিপোর্ট করতে পারেন। এরপর আইসিসির স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রযুক্তির সাহায্যে তার বোলিং অ্যাকশন বিশ্লেষণ করা হয়।
পরীক্ষায় বোলিং অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন সংশ্লিষ্ট বোলার। অ্যাকশন সংশোধন করে পরবর্তী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আবার বোলিং করার সুযোগ পাবেন তিনি।