আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে 'ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ অ্যান্ড ফেস্টিভ্যাল ২০২৬'। বিশ্বের প্রায় ১৮৯টি দেশের খুদে ফুটবলারদের অংশগ্রহণে এক সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজন মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যময় পটভূমির তরুণদের একসঙ্গে মেলামেশা, বন্ধুত্ব গড়ে তোলা এবং ফুটবলের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার এক অনন্য উৎসব। ফিফার চিফ অব গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্ট আর্সেন ওয়েঙ্গারের মতে, এই আয়োজনই ফুটবলের প্রকৃত চিত্র।
টুর্নামেন্টের পরিবেশ সম্পর্কে ওয়েঙ্গার বলেন, পুরো আয়োজন জুড়েই আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও উত্তেজনার ছাপ স্পষ্ট। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ১৯০টি দলকে এক সপ্তাহের জন্য একত্র করা এবং তাদের একই জায়গায় থাকার সুযোগ করে দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তার মতে, মাঠের ভেতরে ও বাইরে তরুণ খেলোয়াড়দের আনন্দ ও উৎসাহ চোখে পড়ার মতো।
পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে আসা এই খেলোয়াড়রা একে অন্যের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে, কথা বলছে, নাচছে এবং একসঙ্গে খেলছে। ওয়েঙ্গারের বিশ্বাস, ফুটবল আসলে এমনই হওয়া উচিত। যেখানে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি থাকবে আনন্দ, বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়া। টুর্নামেন্টের ফরম্যাট সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ওয়েঙ্গার জানান, আয়োজনটি প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর হচ্ছে। বড় ও ছোট দেশগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার ব্যবধান কমাতে প্রচলিত ১১ জনের বিপরীতে ১১ জনের পূর্ণাঙ্গ ম্যাচের পরিবর্তে সংক্ষিপ্ত ম্যাচ ও ভিন্ন ধরনের খেলার কাঠামো রাখা হয়েছে।
এর ফলে বড় ব্যবধানে হারের ঝুঁকি কমে এবং দলগুলো আরও বেশি প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলার সুযোগ পায়। ওয়েঙ্গারের মতে-ফুটবল ভালোবাসে, এমন প্রতিটি খেলোয়াড়ই জানতে চায়, সে কতটা ভালো খেলতে পারে। তাই ছোট দেশগুলোর খেলোয়াড়দের বড় ফুটবল শক্তিগুলোর বিপক্ষে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।