যুক্তরাষ্ট্রের চোখ ফাঁকি দিয়ে ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম আমদানি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামরিক সরঞ্জাম আমদানির জন্য পাঁচ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের একটি গোপন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইরান। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্তত ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম, বিস্ফোরক ও ভারী ট্রাক আমদানি করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের নামের শুরুতে রয়েছে ‘এমওডি’। 

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে এ তথ্য উঠে এসেছে।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাত শুরুর পর ইরান হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করেছে। এসব অস্ত্রের মজুত পুনরায় গড়ে তুলতে দেশটি কীভাবে সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে, তা উঠে এসেছে রয়টার্সের অনুসন্ধানে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং দেশটির প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণাধীন ‘বুনিয়াদ’ নামে পরিচিত ব্যবসায়িক গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে এই নেটওয়ার্কের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ২০১৬ সাল থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি ও জাহাজ পরিবহনের নথিতে এসব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে নেটওয়ার্কের তালিকাভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, এমন প্রমাণ পায়নি রয়টার্স।

যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে গোপন নেটওয়ার্ক

ইসরায়েলি-আমেরিকান ঝুঁকি বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ২৪০ অ্যানালিটিকসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুসন্ধানটি চালায় রয়টার্স। এতে প্রথমবারের মতো ইরানের সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের এই গোপন নেটওয়ার্কের বিস্তারিত সামনে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহে এটি তেহরানের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।

নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠানগুলোর নামের শুরুতে ইংরেজিতে ‘এমওডি’ অথবা ফারসি ভাষায় ‘ভিওডিজেএ’ লেখা থাকে। এর পর পাঁচ বা ছয় অঙ্কের একটি সংখ্যা কথায় উল্লেখ করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর ঠিকানা হিসেবে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তেহরানের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি সব প্রতিষ্ঠানের নথিতে প্রতিষ্ঠার তারিখ দেখানো হয়েছে ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি। ওই দিনই ইরানে আয়াতুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে ইসলামি বিপ্লবের পর নতুন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

তবে করপোরেট নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই প্রকৃতপক্ষে ২০১৩ সালে গড়ে তোলা হয়েছিল। ওই সময় পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের তেল রপ্তানি ও মুদ্রাব্যবস্থা বড় ধরনের সংকটে পড়ে।

রয়টার্সের অনুসন্ধান অনুযায়ী, তেল বিক্রির অর্থ ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরির উপকরণ সংগ্রহ করে এসব প্রতিষ্ঠান। এ কাজে তারা বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী ও বিদেশি ভুয়া কোম্পানির সহায়তা নেয়। এসব মধ্যস্থতাকারী সম্মিলিতভাবে ‘ট্রাস্টি’ নামে পরিচিত।

পর্যালোচনা করা চালানের ৯৭ শতাংশের অর্থ পরিশোধ হয়েছে সরাসরি মুদ্রা স্থানান্তর ছাড়াই। এতে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে অর্থের সরাসরি লেনদেনের প্রয়োজন কমেছে। ফলে নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর নজরে পড়ার ঝুঁকিও কমেছে।

এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চীন, রাশিয়া ও জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশ থেকে রকেটের জ্বালানি তৈরির কাঁচামাল, যন্ত্রাংশ এবং ভারী ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযান আমদানি করা হয়েছে।

ব্যাংকের ফাঁস হওয়া নথি থেকে নেটওয়ার্কের সন্ধান

২৪০ অ্যানালিটিকসের অর্থনীতিবিদ নোয়াম বিনস্টক ২০২৫ সালের জুনে প্রথম এই নেটওয়ার্কের অস্তিত্ব শনাক্ত করেন। সে সময় তিনি ইরানের ব্যাংক সেপাহের ফাঁস হওয়া কিছু নথি বিশ্লেষণ করছিলেন। আইআরজিসির সদস্যদের বেতন-ভাতা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যাংকটির এসব নথি টেলিগ্রাম ও উইকিইরান ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছিল।

নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিকে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের কাছে বৈদেশিক মুদ্রায় প্রায় ১২০ কোটি ডলার ছিল। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে স্থানীয় মুদ্রায় জমা ছিল প্রায় ১৮০ কোটি ডলার।

পরবর্তী সময়ে বিনস্টক দেখতে পান, এসব প্রতিষ্ঠান তেল বিক্রির অর্থ গ্রহণ করে সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজে ব্যবহারযোগ্য সরঞ্জাম কিনছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য রয়েছে ১১ অঙ্কের পৃথক পরিচিতি নম্বর। আমদানি চালান, জাহাজ চলাচলের নথি ও ব্যাংক হিসাবেও একই নম্বর ব্যবহারের কারণে ভিন্ন নামে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগসূত্র শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

এরপর প্রায় ১৯ হাজার আমদানি নথির একটি অংশ জাহাজ চলাচলের কাগজপত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও, স্যাটেলাইট চিত্র এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করে রয়টার্স।

নেটওয়ার্কের বড় ক্রেতা এমওডি ৩৪৬৪২৮

নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এমওডি ৩৪৬৪২৮-এর আমদানি কার্যক্রম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২০২৩ সালের মার্চে শেষ হওয়া এক বছরে প্রতিষ্ঠানটি ৪৪ কোটি ২০ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করে। পরের বছর এ পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৯৮ কোটি ৮০ লাখ ডলারে। এর ফলে ইরানের শীর্ষ ১০ আমদানিকারকের তালিকায় উঠে আসে প্রতিষ্ঠানটি।

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ২৩০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম আমদানি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে রকেটের জ্বালানি তৈরির উপাদান, বিস্ফোরক এবং অস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ।

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে চীন থেকে ৮৮৬ টন রাসায়নিক আমদানি করে প্রতিষ্ঠানটি। এসব রাসায়নিকের মধ্যে সোডিয়াম ক্লোরেট ও বিভিন্ন ধরনের পারক্লোরেট ছিল। কঠিন জ্বালানিচালিত রকেট তৈরিতে এসব উপাদান গুরুত্বপূর্ণ। চালানগুলো বান্দর আব্বাস বন্দর দিয়ে ইরানে প্রবেশ করে।

রয়টার্সের উদ্ধৃত সূত্রগুলোর দাবি, ২০২৫ সালের ২৬ এপ্রিল দক্ষিণ ইরানের শহীদ রাজায়ি বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পেছনে এসব রাসায়নিকের একটি চালান থেকে আসা সোডিয়াম পারক্লোরেটের ভূমিকা ছিল। বন্দরের একটি কনটেইনারে থাকা রাসায়নিক পদার্থে আগুন ধরে বিস্ফোরণ ঘটে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব রাসায়নিক সংরক্ষণের দায়িত্বে ছিল সিনা পোর্ট অ্যান্ড মেরিন সার্ভিসেস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা রয়েছে বুনিয়াদ মোস্তাজাফানের হাতে। কয়েক শ কোটি ডলারের সম্পদের অধিকারী এই ফাউন্ডেশন সরাসরি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার নিয়ন্ত্রণাধীন।

ওই বিস্ফোরণে অন্তত ৭০ জন নিহত হন। আহত হন ১ হাজার ২০০ জনের বেশি।

সামরিক কাজে ব্যবহারযোগ্য ট্রাক ও গাড়ি আমদানি

এমওডি ৩৪৬৪২৮ মোট ৪৩৫টি ইভেকো ট্রাক আমদানি করেছে। সামরিক বাহিনী এ ধরনের ট্রাককে পরিবর্তন করে চলমান ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযান হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

এর আগে ২০২২ সালে একই ধরনের ছয়টি ট্রাক কেনা হয়েছিল। পরে সেগুলো সাহারা থান্ডার নামের একটি ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে পৌঁছায়। রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের অভিযোগে ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।

এ ছাড়া হাজার হাজার টয়োটা হাইলাক্স ও ল্যান্ড ক্রুজার পিকআপ আমদানি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি এসব গাড়িতে ভারী মেশিনগান সংযুক্ত করে ব্যবহার করে।

এ বিষয়ে ইভেকো জানিয়েছে, ইরানে তাদের কোনো গাড়ি ব্যবহৃত হয়ে থাকলে সেটি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। অন্যদিকে টয়োটা জানিয়েছে, ইরানে তাদের কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম নেই।

যুদ্ধের মধ্যেও থামেনি সামরিক সরঞ্জাম আমদানি

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পরও ইরানে সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র তৈরির কাঁচামাল সরবরাহ অব্যাহত ছিল। রয়টার্সের অনুসন্ধানে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

যুদ্ধ শুরুর আগের কয়েক সপ্তাহে চীন থেকে ৯৩ টন টাইটানিয়াম আমদানি করে ইরান। উচ্চ শক্তিসম্পন্ন এই ধাতু ক্ষেপণাস্ত্রের কাঠামো ও রকেটের মোটরের আবরণ তৈরিতে ব্যবহার করা যায় বলে জানিয়েছেন অস্ত্র ও নিষেধাজ্ঞা বিশেষজ্ঞরা।

এ ছাড়া চীন থেকে ২৬৮ টন নাইট্রোসেলুলোজ এবং আরও ২৭৬ টন রাসায়নিক আমদানি করা হয়েছে। এসব রাসায়নিকের মধ্যে পারক্লোরেটজাতীয় উপাদান রয়েছে, যা রকেটের জ্বালানি ও বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

যুদ্ধ শুরুর পর মার্চে ইরানের মাসিক আমদানির পরিমাণ ৪৭ শতাংশ কমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারে নেমে আসে। তবে মে মাসে তা আবার বেড়ে ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারে পৌঁছায়।

এ ছাড়া রাশিয়া থেকে পাঁচটি চালানে ৭৬ লাখ ডলারের ডেটোনেটর আমদানি করেছে ইরান। সর্বশেষ চালানটি পৌঁছায় জুনে। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও ২ কোটি ৭০ লাখ ডলারের পণ্য এসেছে। এসব পণ্যের সর্বশেষ চালানটি পৌঁছায় জুনে, যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে অবরোধ স্থগিত করার কয়েক দিন পর।

ক্ষুদ্র ও নির্ভুল যন্ত্রপাতিও সংগ্রহ করেছে ইরান। এর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত লেদ মেশিন ও ইলেকট্রন-বিম ফার্নেস। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বিভিন্ন কাঠামো তৈরিতে এসব যন্ত্র ব্যবহার করা যেতে পারে।

ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের বড় উদ্যোগ

রয়টার্সের অনুসন্ধানের তথ্য পর্যালোচনা করা বিশেষজ্ঞরা ইরানের এই সরবরাহব্যবস্থাকে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বহর পুনর্গঠনের ‘শিল্প-পর্যায়ের উদ্যোগ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁদের মতে, আমদানি করা অনেক উপাদান দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য। অর্থাৎ সামরিক ব্যবহারের পাশাপাশি বেসামরিক কাজেও এসব পণ্য ব্যবহার করা সম্ভব।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক আয়ের প্রধান উৎসগুলো বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করেছে। তবে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামরিক কর্মসূচিতে অর্থায়ন এবং বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহের চেষ্টা ইরান অব্যাহত রাখতে পারে।

তিনি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাওয়া, সামরিক ও অস্ত্র কর্মসূচিতে অর্থায়ন এবং বৈদেশিক মুদ্রায় প্রবেশের জন্য শাসকগোষ্ঠী মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারে। তবে আমরা সব সময় তাদের চেয়ে ১০ ধাপ এগিয়ে আছি।’

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা কর্মসূচি প্রণয়নে সহায়তাকারী সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মিয়াদ মালেকি এই নেটওয়ার্ককে ইরানের সামরিক বাহিনীর ‘লাইফলাইন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘চলমান সংঘাতের সময় এবং এর বহু বছর আগে থেকেই এটি শাসকগোষ্ঠীর সামরিক বাহিনীর লাইফলাইন হিসেবে কাজ করছে। এটি ইরানের সামরিক বাণিজ্যের সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা।’

এদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রয়টার্সের প্রতিবেদনে উত্থাপিত বিষয়ে তারা অবগত নয়। এক বিবৃতিতে দেশটির মন্ত্রণালয় বলেছে, আঞ্চলিক সংঘাতের সঙ্গে বিদ্বেষপূর্ণভাবে চীনকে জড়ানো কিংবা দেশটির সুনাম ক্ষুণ্ন করার প্রচেষ্টার তারা বিরোধিতা করে।

এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি ইরানের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, হোয়াইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে।