পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের সংগ্রামের জোনের সোনাইছড়ি ও যাদুখালী ছড়ায় চলছে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের মহোৎসব। স্থানীয় একটি চক্র পাহাড়ি জনপদের প্রবাহমান দুইটি ছড়াখাল থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালি তুলে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আশপাশের এলাকার আরও পাঁচটি পয়েন্ট থেকে অবৈধভাবে বালি তোলা হচ্ছে।
জানা গেছে, দক্ষিণ চট্টগ্রাম বনবিভাগের অধীন দুর্গম পাহাড়ি জনপদের সংরক্ষিত বনভূমিতে মেশিন বসিয়ে থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালি তুলছে চক্রটি।
পাহাড়ে বাসিন্দারা জানায়, চলতি বর্ষা মৌসুমে টইটং ইউনিয়নের পূর্ব টইটং সংগ্রামের জুম নামক স্থানে বালি তোলা হচ্ছে। সোনাইছড়ি ছড়ার দুর্গম পাহাড়ে প্রচুর বালুর স্তূপ হয়েছে। বর্ষার সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। ঢলের পানিতে বালি নিচের দিকে প্রবাহিত হয়। বৃষ্টির সময় বালি উত্তোলনের জন্য উপযুক্ত সময় হিসেবে বেছে নেওয়া হয়ে থাকে। বালু খেকোরা চলতি বর্ষার সময় সবচেয়ে বেশি বালির স্তূপ তৈরি করে। আবহাওয়া অনুকূল এলে এ সব বালি পাচার করা হয়।
স্থানীয় সংগ্রামের জুমের বনায়নে উপকার ভোগীদের অভিযোগ, বনবিভাগ মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে নেপথ্যে থেকে ওই চক্রকে সহায়তা করছে। তারা দেখেও না দেখার ভান করছে।
আরও পড়ুন: তাপপ্রবাহ কমতে পারে,বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছড়ার ৫টি পয়েন্টে মেশিন বসিয়ে বালি উত্তোলনকারীদের কাছ থেকে বনবিভাগের লোকজন নিয়মিত মাসোয়ারা নিচ্ছেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল গফুর মোল্লা বলেন, সংগ্রামের জোন এলাকার সোনাইছড়ি ও যাদুখালী ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ঘটনা জানতে পেরেছি। সরেজমিন তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবো। তবে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ছড়াখালের ওই মোকাম থেকে বালি উত্তোলন হচ্ছে।
ইত্তেফাক/অনি