ঘরে বসে অনলাইনে ব্যবসা এখন বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। তুলনামূলক কম পুঁজি এবং কম ঝুঁকিতে এই ব্যবসায় এখন অনেক তরুণ-তরুণী এগিয়ে আসছে। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে তরুণীরা শুরু করেছেন অনলাইনে ব্যবসা। এমনই কয়েকজন অনলাইনে ব্যবসায়ী তরুণীর সঙ্গে কথা বলেছেন— ইফফাত ই ফারিয়া
ক্রাফটিংয়ের শখ থেকে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে আমার ব্যবসার যাত্রা শুরু হয়। যেহেতু ঢাকার বাইরে থাকি, ম্যাটেরিয়াল কালেক্ট করা, কাস্টমারদের কাছে সময় মতো ডেলিভারি পৌঁছে দেওয়া নিয়ে সব সময়ই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে আমার বান্ধবীর ছোটো বোন মীম। মা আমাকে সব সময় উত্সাহ দিয়েছে, বাবা এটুকু বিশ্বাস করতেন আমি খারাপ কিছু করছি না। প্রথম থেকেই ইচ্ছে ছিল পুরো দেশি গয়না দিয়ে কাজ করার; কিন্তু আফসোস ৮০% গয়না আমার নিজের বানানো হলেও ম্যাটেরিয়াল আমার দেশের বাইরে থেকে সংগ্রহ করতে হয়। ইচ্ছে আছে ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ হলে একটু বেশি সময় বিজনেসে দিব যাতে পুরোপুরি দেশিপণ্য সবার হাতে পৌঁছে দিতে পারি আর দেশের বাইরেও নিয়ে যেতে পারি।
আগাথা অন্যা মণ্ডল
কা দ ম্ব রী
আমি নিজেকে ব্যবসার ক্ষেত্রে লড়াকু বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। অনেক আগে থেকেই নারী উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছি। আগে আমার একটি যৌথ উদ্যোগ থাকলেও পরে সিদ্ধান্ত নেই একাই কাজ করার। কারও সঙ্গে অংশীদার হয়ে কাজ করার থেকে একা কাজ করলে ভালো ফল দেয় বলে আমার বিশ্বাস। আমার ই-কমার্স ব্যবসার নাম শেফাস এদিথ। মূলত দেশ-বিদেশের নানান ডিজাইনের পোশাক নিয়ে আমি কাজ করি। অনলাইনে শুরু হলেও শেষ করতে চাই অফলাইনে। একদিন ঢাকার কোনো এক ব্যস্ত জায়গায় নিজের নামে একটা দোকান দেব এটা আমার স্বপ্ন। সেই জন্য সবার ভালোবাসা আর দোয়া আমার খুব দরকার। দিনরাত চেষ্টা করছি যেন ভালো কিছু করতে পারি।
মাকসুদা শেফা
এ ডি থ
এমবিএ কমপ্লিট করে আমার টার্গেট ছিল ব্যাংকার হব; কিন্তু তখন আমার বাচ্চার বয়স ১৬ মাস। তাকে বাসায় রেখে এত লম্বা সময় বাইরে থাকা যাবে না। আবার একদম কিছু না করে বাসায় বসে থাকাটাও আমার পছন্দ না। এই চিন্তা থেকেই আমি মনস্থির করলাম যে, অনলাইন বেইজ ব্যবসা করব, নিজের জমানো ৩০ হাজার টাকা দিয়ে কিছু ভারতীয় ব্যবসায়ী যারা ঢাকায় পোশাক এনে বিক্রি করে, তাদের থেকে পণ্য নিয়ে ক্রেতাকে হোম ডেলিভারি দিতা। আমার মূল উদ্দেশ্যই ছিল অলসতায় সময় নষ্ট না করে সেটার সঠিক ব্যবহার করা। এমন কিছু করা যাতে নিজের ঘর-সংসার,বাচ্চারও দেখভালের কোনো অসুবিধা হবে না, আর্থিক সচ্ছলতাও থাকবে। আমার এই যাত্রায় সত্যি বলতে তেমন কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল না কারণ পরিবারের সকলে আমাকে অনেক উত্সাহ দিয়েছেন।
সাজিয়া আফরিন আনিকা
আ নি কা স কা লে ক শ ন
ছোটো থেকেই খুব আগ্রহ ছিল নিত্য নতুন পোশাক নিয়ে। বাবা মা ভবিষ্যতে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবার জন্য একাডেমিক দিকে মনোযোগ দিতে বলতেন। পড়াশোনা, চাকরির পাশাপাশি ব্যবসাটা অল্পবিস্তর চালাচ্ছিলাম পরিচিত গণ্ডির মধ্যে। আমার মামা খুব সাহায্য করেছেন এ ব্যাপারে। প্রতিদিন চেষ্টা করে যাচ্ছি অন্যরকম ডিজাইনের কিছু করা যায় কি না। আমার অনলাইনে ব্যবসাটাই ভালো লাগে, শো-রুম নিয়ে ঠিকমতো সামলাতে না পারলে কি হবে ভেবে এটাতেই সন্তুষ্ট আছি।
নুজহাত বিনতে রহমান
ক টৌ র