গাংনীতে দুই পক্ষের ২০ বছরের কোন্দলের অবসান

গাংনী উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামে ২০বছর ধরে লেগে থাকা দুই গ্রুপের কোন্দলের অবসান ঘটেছে। এ ঘটনায় গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এ সময় গ্রামের দুই গ্রুপের কাছে থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে গাংনী থানা পুলিশ।

গত রবিবার বিকেলে ব্যাক্তিগত রাস্তার ওপর দিয়ে পাট বোঝায় গরুর গাড়ি যাওয়াকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের পুরনো বিরোধী দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ইব্রাহিমের ছেলে ইশারত পাট বোঝায় গাড়ি নিয়ে মৃত মুক্তার আলির ছেলে রাজ্জাকের বাড়ির সামনে কাঁদার মধ্যে আটকে যায়।

এ সময় রাজ্জাক ইশারতের ওপর চড়াও হলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। সংবাদ পেয়ে মোজাম্মেল হকের ছেলে সুমন এসে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করে। তখন রাজ্জাক তার উপরেও চড়াও হলে প্রতিবেশী নুর বক্স বিশ্বাসের ছেলে আঃ মান্নান হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

এ সময় হট্টগোলের মাত্রা শুরু হলে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোঠা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হতে থাকে। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এ সময় ইশারত গাড়িবোঝায় পাট ফেলে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং ইশারতকে তার পাট বোঝায় গাড়ি বুঝিয়ে দেয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ জনকে আটক করে গাংনী থানা পুলিশ।

আটক ৫জন হলো মৃত নাজির হোসেন এর ছেলে রফিকুল, মৃত পালানের ছেলে রিপন, মৃত আবুজেলের ছেলে ইছারুদ্দিন, আঃ ছাত্তারের ছেলে আমজাদ ও আঃ রাজ্জাকের ছেলে রকিব।

এদিকে এ ঘটনার জের ধরে ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকে মকবুলের ছেলে আবেদ মসজিদে নামাজ আদায় করতে গেলে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দেওয়া হয় বলে জানান প্রতিবেশী নজরুল। 

আরও পড়ুন: ম্যাক্রো ক্ষমা না চাইলে আর্থিক সহায়তা নেওয়ায় অস্বীকৃতি ব্রাজিল প্রেসিডেন্টের

গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান, দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ ২০বছরের বিরোধ ছিলো। সেটা উভয় পক্ষকে ডেকে মীমাংসা করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় শান্তি বিরাজ করছে।

ইত্তেফাক/নূহু