আগামী ২০ সেপ্টেম্বর কলকাতায় মুক্তি পাচ্ছে অবশেষে জ্যোতিকা জ্যোতির স্বপ্নের সিনেমা ‘রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত’। সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশিত হওয়ার পর দারুণভাবে প্রশংসিত হচ্ছেন জ্যোতি। ভীষণ অনুপ্রাণিতও হচ্ছেন তিনি সবার কাছ থেকে সাড়া পাওয়ায়। খুব সহজেই বলা যায়, সিনেমাটি মুক্তির পূর্ব পর্যন্ত একটা ঘোরের মধ্যেই কাটাতে হবে তাকে। তবে কী কী কারণে মূলত জ্যোতি অভিনীত এই সিনেমাটি দেখা উচিত, সেই প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। জ্যোতিকা জ্যোতি বলেন, ‘একশ বছর আগের গল্পটিকে কিভাবে পরিচালক প্রদীপ ভট্টাচার্য্য বর্তমান সময়ে নিয়ে এসেছেন তা উপলব্ধি করার জন্য এই সিনেমাটি দর্শকদের দেখা উচিত। এই সিনেমায় মানুষ এমন নতুন রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্তকে দেখবে, যা কখনো ভাবেওনি। কিংবদন্তি সাহিত্যিক শরত্চন্দ্র, প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য্যর মতো নির্মাতা, ঋত্বিক চক্রবর্তীর মতো অভিনেতা এবং বাংলাদেশের আমি জ্যোতি, যার টলিউড অভিষেক এই সিনেমা দিয়ে—এই সকলের মিশ্রণে কী তৈরি হলো, তা দেখার জন্য এই সিনেমা মানুষ আগ্রহ নিয়ে দেখবে বলেই আমি বিশ্বাস করি। রাজলক্ষ্মী-শ্রীকান্তের একটি নির্দিষ্ট চেহারা মানুষের মনে গেঁথে আছে। এই সিনেমায় তা একেবারে ভেঙে নতুন চেহারায় হাজির করা হয়েছে। এই নতুনত্বের স্বাদ নেওয়ার জন্য দর্শক সিনেমাটি দেখবে। সিনেমাটির গল্প বলার ধরন এমন যে, মানুষ যা যা ভেবে হলে যাবে, তার কোনোকিছুর সঙ্গেই এই গল্প মিলবে না। একদম আলাদা কিছু দেখবে।’ জ্যোতির এমন আশাবাদই সিনেমাপ্রেমী দর্শককে হলমুখী করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কারণ ‘রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত’ জ্যোতিসহ পুরো টিমের অনেক কষ্টের, অনেক শ্রমের, অনেক সাধনার একটি সিনেমা। বাংলাদেশে জ্যোতি প্রথম অভিনয় করেন কবরীর নির্দেশনায় ‘আয়না’ সিনেমায়। এরপর তিনি বেলাল আহমেদের ‘নন্দিত নরকে’, তানভীর মোকাম্মেলের ‘রাবেয়া’, ‘জীবনঢুলী’; মোরশেদুল ইসলামের ‘অনিল বাগচির একদিন’, মাসুদ পথিকের ‘মায়া দ্য লস্ট মাদার’ সিনেমায় অভিনয় করেন। নূরুল আলম আতিকের ‘মানুষের বাগান’ সিনেমাতেও অভিনয় করছেন তিনি। জ্যোতি অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘পাড়ি দ্য রিভার’, ‘কুসুম’, ‘ফার্নিচার’, ‘ফাঁকি’, ‘গর্ত দ্য ট্রেঞ্চ অব ফিয়ার’, ‘কাঠগোলাপ’, ‘বনফুল’, ‘ব্রেকআপ’ ইত্যাদি।