চরফ্যাশনে দুর্বৃত্তদের দেওয়া কীটনাশকে উপজেলার নীল কমল ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামের ঘেরের কয়েক লাখ টাকার মাছ মারা গেছে। প্রতিটি পাঙাশের ওজন এক থেকে দেড় কেজি। মারা গেছে ১২ হাজারের বেশি পাঙাশ। মারা যাওয়া মাছের বাজার মূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা। শুক্রবার রাতে দুর্বৃত্তরা ঐ ঘেরে বিষ দিলে শনিবার সকালে মাছগুলোকে ভেসে উঠতে দেখা যায়।
ঘের মালিকের ছেলে এমরান জানান, তিনি এবং তার ভাই হুমায়ুন ঘেরে থাকা অস্থায়ী বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন। তারা ঘুমিয়ে পড়ার পর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘেরে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট দিয়েছে।
চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিন এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার চরযমুনা গ্রামে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিষক্রিয়ায় মারা যাওয়া সব মাছ মাটিতে পুঁতে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন তারা।
দুলারহাট থানার এসআই সমীরন বল জানান, বিষক্রিয়ায় মারা যাওয়া এসব মাছ খেলে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। এজন্য মাছগুলোকে মাটিতে পুঁতে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। মাছগুলো পুঁতে ফেলতে কাজ করা হচ্ছে।
দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান পাটোয়ারী জানান, কে বা কারা এ কাজ করেছে তা শনাক্ত করা যায়নি। ঘের মালিক অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/এমআই