র ফি কু ল ই স লা ম
অবশেষে সিনেমায় কাজ করছেন গুণী অভিনেত্রী ফারজানা চুমকি। গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘পাপ পূণ্য’ সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি। এরইমধ্যে চাঁদপুরে সিনেমাটির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সিনেমার কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকবেন বলে জানান চুমকি। সিনেমাটিতে তিনি রাবেয়া চরিত্রে, অর্থাত্, চঞ্চল চৌধুরীর স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। প্রথমবারের মতো সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে ফারজানা চুমকি বলেন, ‘প্রথম সিনেমা হিসেবে কাজ করে আমি দারুণ সন্তুষ্ট। কারণ একজন চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে সেলিম ভাই এবং তার সিনেমার গ্রহণযোগ্যতা আছে দর্শকের কাছে, সেটা প্রমাণিত হয়েছে ‘মনপুরা’ ও ‘স্বপ্নজাল’ সিনেমা দিয়ে। খুব ভালোভাবে আমরা সবাই একটি পরিবারের মতোই কাজ করছি। অবশ্য এর আগে আমার অভিনয়জীবনের শুরুতে সিনেমায় কাজ করার প্রস্তাব পেয়েছিলাম। কিন্তু তখন সত্যিকার অর্থে সিনেমার সার্বিক পরিস্থিতি ভালো ছিল না। তাই কাজ করা হয়ে ওঠেনি। কিন্তু অনেকদিন পরে হলেও অবশেষে একটি ভালো গল্পের এবং সেলিম ভাইয়ের মতো গুণী একজন পরিচালকের সিনেমায় আমার অভিষেক হলো। এটা অনেক ভালোলাগারও বিষয়।’ দীর্ঘদিন আগে সেলিমের নির্দেশনায় ‘এনেছি সূর্যের হাসি’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন ফারজানা চুমকি। পরবর্তীতে তার নির্দেশনায় আর কাজ করা হয়ে ওঠেনি। ১৯৯৯ সালে লাক্স আনন্দধারা ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার্স আপ হয়েছিলেন ফারজানা চুমকি। তার অভিনীত প্রথম নাটক ছিল সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়মন্ডের ‘জীবন যেখানে যেমন’। তার প্রথম বিজ্ঞাপন ছিল পিন্টু নির্দেশিত ‘উইন্টার গার্ড লিপজেল’। মীর সাব্বিরের সঙ্গে তার অভিনীত প্রথম টেলিফিল্ম ছিল খায়রুল বাশারের ‘হূদয়ে বসতি’। সম্প্রতি মীর সাব্বির পরিচালিত এনটিভিতে প্রচারিত ঈদ ধারাবাহিক নাটক ‘মতলব’-এ চুমকির অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়। অভিনয়জীবনের দীর্ঘ দুই দশক পার করছেন ফারজানা চুমকি। দীর্ঘদিনের এই পথচলা প্রসঙ্গে চুমকি বলেন, ‘আমার বড় বোন নীলু আপার অনুপ্রেরণাতেই মিডিয়াতে আসা। তার কারণেই আমার আজকের ফারজানা চুমকি হয়ে ওঠা। তাই তার কাছে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’ এদিকে এরইমধ্যে সিনেমার গুণী অভিনেতা সুব্রতর সঙ্গে চুমকির করা একটি বহুজাতিক পণ্য প্রতিষ্ঠানের চিনি গুঁড়া চালের বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু হয়েছে। বিজ্ঞাপনটির জন্যও বেশ সাড়া পাচ্ছেন তিনি। এটি নির্মাণ করেছেন অঞ্জলী সাথী।