বগুড়ার আদমদীঘি আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলামকে (৫৫) গলা কেটে হত্যার মূল হত্যাকারী আইয়ুব আলী আকন্দকে (২৬) গত শনিবার বগুড়া থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। হত্যার অস্ত্র চাকু পুলিশ উদ্ধার করেছেন।
মামলার তদন্তকারী অফিসার ওসি তদন্ত গ্রেফতারের কথা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূল আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সময় ব্যবহৃত অস্ত্র লাঠি ও নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বগুড়ার আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও মন্দিরপুকুর গ্রামের নজরুল ইসলামের সঙ্গে বাহাদুরপুর গ্রামের আফাজ উদ্দীনের ছেলে আইয়ুব হোসেনের মাদকব্যবসা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। আইয়ুব আলী ইয়াবা কিনতে চেয়ে গত ১৫ নভেম্বর সন্ধায় মোবাইল ফোনে নজরুলকে ডেকে নেয়। নজরুল ইসলাম ইয়াবা ট্যাবলেট দেওয়ার জন্য ধান ক্ষেতের মধ্যে গেলে হত্যাকারীরা লাঠি দিয়ে নজরুলের মাথায় কয়েকটি আঘাত করে। এ সময় মাটিতে পড়ে গেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা নিশ্চিত করে হত্যাকারীরা পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ হিরা ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে সিরিয়াল-অভিনেত্রী ‘গোপী বউ’ আটক
পরের দিন সকালে স্থানীয়রা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই শাহজাহান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা উল্লেখ করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত করে গত ২ ডিসেম্বর মানিক ওরফে হান্নানকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উম্মোচন হয়। তার দেওয়া তথ্য মোতাবেক লাঠি ও নিহত নজরুলের মোবাইল ফোন পুলিশ উদ্ধার করে। এরপর গত শনিবার আইয়ুব হোসেনকে গ্রেফতারের পর ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
ইত্তেফাক/নূহু