মির্জাপুরে যৌন উত্তেজক ও মেয়াদোত্তীর্ন ওষুধ বিক্রির দায়ে জরিমানা

দীর্ঘ দিন ধরে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির অভিযোগে ৬ ফার্মেসির মালিককে প্রায় তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারক মো. মইনুল হক। আজ বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ রোডে অভিযান চালিয়ে এই ৬ ফার্মেসির মালিককে জরিমানা করা হয় বলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার  (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ভারপ্রাপ্ত (ইউএনও) মো. মইনুল হক জানিয়েছেন।​

মির্জাপুর থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্র জানায়, মির্জাপুর উপজেলা সদরের ২০-২৫ টি ফার্মেসিতে ও সদরের বাইরে বিভিন্ন এলাকায় অলিগলিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা বিভিন্ন ফার্মেসীর দোকানে দীর্ঘ দিন ধরে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট এবং মেয়াদোত্তীর্ষ ঔষধ বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। ওষুধ কিনতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের নানা কৌশলে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি এবং যুবকদের কাছে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট বিক্রি করে আসছে  এই চক্রটি। 

আরও পড়ুন : দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো

পুলিশ ও এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও পুশিশ আজ বৃহস্পতিবার অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ঘটনার সত্যতা পেয়ে এবং ওষুধের লেভেলে ডি এ/ এম এ নাম্বার না লেখাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মির্জাপুর উপজেলা সদেরর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ রোডের চৌধুরী ফার্মেসির মালিককে এক লাখ ২০ হাজার টাকা, মাজেদা ফার্মেসিকে ৪০ হাজার টাকা, নাহার ফার্মেসিকে ৮০ হাজার টাকা, শাহী ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা, একতা ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা এবং আরোগ্য বিতান ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। এ সময় টাঙ্গাইল জেলা ঔধধ প্রশাসন বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নার্গিস আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারক এবং মির্জাপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত (ইউএনও) মো. মইনুলহ হক বলেন, অভিযানের সময় ঘটনার সত্যতা পেয়ে ৬ ফার্মেসির মালিককে ১৯৪০ সালের ২৭ ধারায় জরিমানা করা প্রাথমিকভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে এ এ ধরনের কোন অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/কেআই