ট্রিট বাঁচাবেন যেভাবে...

হেলাল নিরব

ঠিকানাবিহীন

‘দোস্ত এবার তাহলে ট্রিট দে!’ বন্ধুমহলে কথাটা ছোঁয়াচে রোগের মতো! আপনার ছোট কোনো সাফল্যেও, এরকম একদল ট্রিটবাজ বন্ধুরা আপনার কাছে আবদার করবে ছোট-বড়ো বা মাঝারি সাইজের ট্রিট। তা চা স্টল থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ—কোনো জায়গাই বাদ রাখে না। তাই এরকম ট্রিটবাজ বন্ধুদের কাছ থেকে ট্রিট বাঁচানোর উপায় বাতলে দেওয়া হলো—

 

v আপনি মানিব্যাগ ব্যবহার করলেও, মানিটা যথাসম্ভব গোপন জায়গায় রাখার চেষ্টা করুন। যাতে মানিব্যাগটা চেক করার সময় বন্ধুরা টাকা খুঁজে না পায়। আর তাদের মনের ক্ষুদ্র সন্দেহ দূর করার জন্য, মানিব্যাগে কিছু খুচরা রাখতে পারেন। এতে আপনার লুকানো টাকা আরো বেশি সেইফ থাকবে। ট্রিটও দেওয়া লাগবে না।

v পকেটবিহীন পোশাক পরিধানের অভ্যাস করুন। প্রয়োজনীয় টাকা সঙ্গে থাকা ব্যাগ বা বইয়ের গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখুন। এতে ট্রিটবাজরা টাকা সম্পর্কে জানতেও পারবে না। আর আগ বাড়িয়ে বই বা ব্যাগেও খানাতল্লাশও করবে না। এতে বেঁচে যাবে, আপনার ট্রিটের টাকাগুলো।

v এখন ব্যাংক অথবা মোবাইল ব্যাংকে রাখতে পারেন অতিরিক্ত টাকা। বন্ধুরা ট্রিটের আবদার করলেই মানিব্যাগ খুলে দেখিয়ে দেবেন, দোস্ত টাকা নাই রে! ক্ষেত্র বিশেষ উল্টো ধার চেয়ে বসবেন তাদের কাছে।

v অল্প খরুচে ট্রিটগুলোতে বেশ বড় সাইজের নোট নিয়ে হাজির হন। তাতে দোকানদার ‘ভাংতি নাই’ বললে আপনার বড় নোটটাও কোনো কোনো সময় বেঁচে যাবে হয়তো। তবে ছোট ট্রিটগুলোর শিডিউলটা ঠিক করার ক্ষেত্রে সময় সচেতন হবেন। এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থেকে মুক্তি পাবেন।

v ট্রিট মৌসুমে আপনি যতটা গুটিয়ে থাকবেন, ততই ভালো। আর এমন সময় ট্রিট চাইতে পারে, এমন মহান বন্ধুদের খুব সূক্ষ্ম আইডিয়াতে বলে দেন আপনার টাকা নেই! আর চাইলে সুযোগ বুঝে ধারও চেয়ে বসতে পারেন।

v ট্রিট উপযোগী সময়গুলোতে ট্রিটের দাবিদার বন্ধুদের যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্ট করুন। কেননা ট্রিটের বেলায়ই বুঝতে পারবেন, বন্ধুরা আসলেই কতটা ভয়ংকর।