রাজধানীতে পুলিশের ওপর হামলাকারী পাঁচ জন শনাক্ত

রাজধানীতে পুলিশের ওপর হামলাকারী পাঁচ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার হওয়া ফরিদ উদ্দিন রুমি ও যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেফতার হওয়া মিজান ওরফে মিশুসহ পাঁচ জনের সম্পৃক্ততার তথ্য প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

এ ব্যাপারে সিটিটিসি প্র্রধান মনিরুল ইসলাম গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশের ওপর হামলাকারী সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। হামলা চালিয়েছে মূলত পাঁচ জনের একটি দল। এই দলের সবাইকে শনাক্ত করা গেছে। এ ঘটনায় দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

গ্রেফতারকৃতদের পরিচয় উল্লেখ করে মনিরুল ইসলাম বলেন, ফরিদউদ্দিন রুমী একজন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এবং তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। মিশু খান ওরফে মিজান মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বেশকিছু তথ্য দিয়েছেন। তাদের আস্তানা থেকে একে ৭৪ খেলনা রাইফেল, খেলনা পিস্তল, ইলেক্ট্রিক্যাল ডিভাইস, তিনটি আইইডি উদ্ধার করা হয়েছে। তারা এ তিনটি আইইডি পুলিশের ওপর হামলার জন্য তৈরি করেছিল। প্রতি মাসের শেষদিকে পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। এবারও তারা সেই পরিকল্পনায় ছিল।

আরও পড়ুন: তিনি ২ ঘণ্টাতেই পারতেন, পারতেন ৫ মিনিটেই

মনিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশের ওপর হামলায় ব্যবহূত বোমাগুলো তুলনামূলক দুর্বল ছিল। সন্দেহভাজন জঙ্গিরা তাদের প্রকৌশল জ্ঞানকে কাজে লাগিয়েছে। তবে সোমবার নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার হওয়া বোমা ছিল শক্তিশালী। তারা খুব শিগগিরই আবারও হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি-না জানতে চাইলে মনিরুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর আদর্শ ভিন্ন ভিন্ন জঙ্গি সংগঠন শেয়ার করে। হলি আর্টিজান হামলার সময় তারা আইএসের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছিল। এবারও তারা চেষ্টা করেছিল।

ইত্তেফাক/অনি