প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৪০

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছে।  শনিবার মাদারীপুর সরকারি নাজিমউদ্দিন কলেজ এ ঘটনা ঘটে।

 

এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, সরকারি নাজিমউদ্দিন কলেজ ছাত্রলীগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষে কেক কাটা, আনন্দ মিছিলসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকটি পরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এতে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এ সময় অন্তত ৪০ জন আহত হয়। এর মধ্যে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রয়েছে।

 

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকলে অফিসার ডা. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, সংঘর্ষে আহত ৩৭ জনকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। ১১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : অতিরিক্ত আয় করতে বেপরোয়া বাস চালাচ্ছিলেন সেই চালক

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা বলেন, ‘আমরা দুই গ্রুপকে বলেছিলাম আলাদা রাস্তায় গিয়ে জন্মদিন পালন করেন। কিন্তু ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা একই স্থানে মিছিল করতে গেলে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়। কলেজ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

ইত্তেফাক/ইউবি