একসঙ্গে দুটি চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করলেন ফিরোজ শাহী। এর বাইরে সম্প্রতি মুম্বাইতে একটি ফ্যাশন ফেস্টিভ্যালেও অংশ নিলেন। যৌথ প্রযোজনার একটি চলচ্চিত্রের ব্যাপাওে টলিউডের দুজন নির্মাতার সঙ্গে এরই ভেতরে আলোচনা করেছেন। দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত ফিরোজ শাহী। গত কয়েকবছর ধরে চলচ্চিত্রে তার সফল পদচারণা শুরু হয়েছে। এছাড়া শিল্পী সমিতির সদস্য হিসেবেও সক্রিয় তিনি।
বর্তমানে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনী হাওয়া প্রসঙ্গে ফিরোজ শাহী বলেন,‘এটা তো একটা উৎসব। যেখানে আমরা সকলে মিলে একটি দিন মিলিত হই। কিন্তু দুঃখের সাথে জানাতে চাই যে আমি সহ কয়েকজনের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে আমাদের সমিতির কিছু নির্দিষ্ট নীতিমালার দোহায় দিয়ে। এর একটি শর্ত ছিলো টানা ২ বছর চলচ্চিত্র মুক্তি না পেলে তার সদস্যপদ থাকলেও ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষমতা থাকবে না। আমি অবাক ও বিষ্মিত হই। কারণ নীতিমালা মেনে চলতে আমার কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু এই শর্ত বিশেষ বিশেষ কারো জন্য প্রয়োগ করা হয়েছে। কারণ একসময়ের অনেক ব্যস্ত কয়েকজন অভিনেতাদেরও গত ২ বছরে নতুন কোনো চলচ্চিত্র মুক্তি পায়নি। আমি তাদের নাম উল্লেখ করতে চাই না। কিন্তু তাদের ভোটাধিকারে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু সমিতির বিদায়ী সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক তাদের বিষয়ে নীতিমালা শিথিল রাখলেও আমাদের ভোটাধিকার হরণ করেছেন। এক সমিতিতে দুই নীতি কোন কারণে সেটিই আমি জানতে চাই। আর চলচ্চিত্র শিল্পের এই খরায় কিছুটা অনিয়মিত হতেই পারে।
এ ব্যাপাওে সরাসরি সমিতির বর্তমান কমিটির সাথে যোগাযোগ করেছেন কিনা জানতে চাইলে ফিরোজ বলেন,‘আমি সরাসরি বর্তমান সভাপতি মিশা সওদাগর ভাইকে জিজ্ঞেস করেছি। এই উদাহরণ টেনেই বলেছি তাকে। তিনি আমার প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি। আমি প্রযোজক সমিতি, পরিচালক সমিতির নেতৃবৃন্দের কাছেও বিষয়টি জানিয়েছি। কারণ এটাকে একজন শিল্পীস্বত্তার অপমান বলে আমি মনে করি।’
উল্লেখ্য, ফিরোজ শাহী চলতি বছরে তার নিজস্ব প্রযোজনায় নতুন চলচ্চিত্রের ঘোষণা দেবেন বলে জানান তিনি।
ইত্তেফাক/বিএএফ