ফারাক্কা বঁধের সব কটি গেট খুলে দেওয়ায় পদ্মা নদীতে পানি বাড়ছে ভয়াবহভাবে। বাড়তে থাকা পানির তোড়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী ও রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়নের ৩৫ টি গ্রাম সম্পুর্ণরুপে তলিয়ে গেছে।
উপজেলার পদ্মা নদীর তীরবর্তী চিলমারী, রামকৃঞ্চপুর, ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়নের প্রায় ১২ হাজার পরিবার জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে, খাদ্য ও খাবার পানির সংকটে দিশেহারা হয়ে পড়েছে এসকল বানভাসী মানুষ। দুটি ইউনিয়নের সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড কুষ্টিয়ার দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানি প্রবাহ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলে তারা জানিয়েছেন।
রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, পদ্মা নদীতে আকস্মিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চিলমারী ও রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়নের দুই হাজার হেক্টর জমির আমন ধান, মাশকলাই ও বাদাম বীজতলা তলিয়ে গেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান, মঙ্গলবার রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়নের বানভাসীদের মধ্যে ৭০০ প্যাকেট এবং চিলমারী ইউনিয়নে ৮০০ প্যাকেট চাল, ডাল সহ শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়।
আরও পড়ুন: বাউল শিল্পী সুবাসের খোঁজ মেলেনি এক সপ্তাহেও
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, প্রাথমিকভাবে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।
ইত্তেফাক/নূহু