ভার্সিটির হলে থাকা ছেলেদের বিয়ে না করার কারণ

 জেলী আক্তার

 

ভার্সিটির হলে থাকা ছেলেকে কেন বিয়ে করবেন না! প্রিয় আপ্পি সমাজ, আসুন জেনে নিই যে কারণে আপনাদের ভার্সিটির হলে থাকা ছেলেদের বিবাহ করা উচিত নয়।

v ভার্সিটির হলে থাকা ছেলেরা জামাকাপড় পরিষ্কার করতে করতে ক্লান্ত। বিয়ের পর আপনার ওপর দায়িত্ব অর্পণ করে নাকে তেল দিয়ে ঘুমাবে। আর মোটা মোটা চটের বস্তার মতো পাঁচ কেজি ওজনের প্যান্ট ধুতে আপনি চার কেজি ওজনের শুঁটকি হয়ে যাবেন।

v ক্যান্টিনের খাবার খেতে খেতে তারা সুস্বাদু খাবারের স্বাদই ভুলে যায়। তাই যতই ভালো রান্না করেন ওনাদের পেটে সহ্য হবে না, বরং উঠতে বসতে কথা শোনাবে এর চেয়ে ক্যান্টিনের হাঁটু জল ডাল আর চুল ভর্তি শাক, আর মরিচে লাল টকটকে ভর্তা, আধা সিদ্ধ সবজি অনেক স্বাদের ছিল।

v তাদের সকাল সকাল উঠে ক্লাস করার অভ্যাস আছে, তাই রোজ সকালে জাগিয়ে দিয়ে বলবে, ‘যাও চা বানাও, নাস্তা রেডি কর’; যা আপনার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে সক্ষম।

v এরা প্রচণ্ড চঞ্চল স্বভাবের হয়, তাই ঘরের শোপিসগুলো যত্নে রাখবেন নয়তো দৌড় প্রতিযোগিতায় ক্ষতির স্বীকার হবে আপনার পছন্দের জিনিসগুলো।

v এরা টিউশন করায় পড়া বুঝাতে বুঝাতে প্রচুর বকবকানি শিখে যায়, বিয়ের পর আপনি হাতের কাছে মাথা ঠান্ডা করার তেল রাখবেন, কারণ এরা জ্ঞান দিতে দিতে আপনাকে অজ্ঞান করে দিতে পারে।

v মাসের শেষে প্রচণ্ড হিসেবি হয়, প্রচুর কিপ্টাও হয়। ভার্টিসির এক বড় ভাই বলল কিপ্টামিটাকে তারা মিতব্যয়িতা বলে চালিয়ে দেয়।

আপনি কোথাও ঘুরতে কিংবা শপিং করতে যেতে চাইলে এরা তালবাহানা করে কাটিয়ে দেবে।

v বিয়ের আগে মধুর মধুর কথা শোনাবে বলবে। কিন্তু আসলে এরা এই কথা আগে কতবার কতজনকে বলেছে তার কোনো হিসাব হবে না সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ছাড়া।

পরিশেষে নিজের পায়ে কুড়াল মারার দায়িত্ব আপনার।

বি.দ্র. গবেষণায় ভুল-ক্রুটি অবশ্যই থাকতে পারে, যেজন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নন।

উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ