ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা
প্রিন্সিপাল
সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা
সুপ্রিয় জেএসসি পরীক্ষার্থীবৃন্দ, তোমাদের জন্য আমার অকৃত্রিম দোয়া ও স্নেহাশিষ রইলো। জেএসসি পরীক্ষা খুব কাছাকাছি এসে গেছে। আশা করছি তোমরা মন দিয়ে পড়াশোনা করছো। এটাই হওয়ার কথা। পরীক্ষা সফল করতে সুস্বাস্থ্য, প্রস্তুতি ও সাহস সবই দরকার। এগুলোই তোমার আকাঙ্খা পূরণ করবে। পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হবে আনন্দিত চিত্তে। পরীক্ষা সামনে রেখে ভয় ও দুশ্চিন্তা আদৌ উচিত নয়। সফলতার মূলে রয়েছে মানসিক সাহস। তোমরা সারাবছর যা পড়েছো তা বারবার অনুশীলন করো। দেখবে সবই তোমার জানার মধ্যে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে তোমার জানার পরিধিটা কেমন তাই প্রধান। প্রতিটা বিষয় যদি তুমি বোঝে বোঝে পড়ে থাকো দেখবে পরীক্ষায় তুমি সবই লিখতে পারছো। তোমাকে বিশ্বাস করতে হবে পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি ও মানসিক সাহস তোমার রয়েছে। তাহলেই তুমি সফলকাম হবে। এখনো একটু ভাবো- এমসিকিউ, কি জ্ঞান, অনুধাবনে কোথাও যদি খানিকটা দুর্বলতা থেকে থাকে, তড়িত্গতিতে তা সেরে নেয়ার চেষ্টা করো। আর পরীক্ষার জন্য প্রবেশপত্রসহ, যাবতীয় পরীক্ষা সরঞ্জাম স্বচ্ছ ফাইলে গুছিয়ে রাখো। সহজ থাকো, আনন্দে থাকো, অবশ্যই আসন্ন পরীক্ষা তোমাদের জন্য সুফল বয়ে আনবে। অভিভাবকদের বলছি কিছুতেই হতাশ করা কোনো কথা পরীক্ষার্থীদের বলা যাবে না। যথাসম্ভব উত্সাহ দিয়ে যান। তাতেই আপনাদের আশা পূরণ হবে। পরীক্ষার্থীদের শরীর ও মন দুটোর দিকেই অভিভাবকদের দৃষ্টি দিতে হবে। পরীক্ষার আগে প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ যে মূল্যবান পরামর্শ দেন, সেগুলো পালন করতে মা-বাবা শিক্ষার্থীদেরকে সহায়তা করুন। পরীক্ষা শিক্ষক, অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীর চেষ্টার সমন্বয়ে সার্থক ও সফল হয়। যে কোনো পরীক্ষার সফলতায় শিক্ষকের পাশাপাশি অভিভাবকের অবদানও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। সকল জেএসসি পরীক্ষার্থীর স্বপ্ন বাসনা পূরণ হোক। তারা হয়ে উঠুক দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। এই কামনা রইলো।
০০০
পল্লব কুমার ভৌমিক
সহকারী প্রধান শিক্ষক
শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ঢাকা
সুপ্রিয় শিক্ষার্থী,শুভেচ্ছা নিও। আসছে ২ নভেম্বর এক উত্সবমূখর পরিবেশে সারাদেশে জেএসসি পরীক্ষা-২০১৯ শুরু হতে যাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি বড় পরিসরে পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতার মাপকাঠিতে সহপাঠীদের মধ্যে নিজেকে তুলে ধরতে কেউই বিচলিত নও। তোমাদের কোমল মনে এই পরীক্ষা পদ্ধতিটিও উত্সবে রূপ নেবে বলে আশা করি। এ পরীক্ষা নিজের গণ্ডি পেরিয়ে বিকশিত হওয়ার পরীক্ষা। তোমার আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পরীক্ষা। তাই তোমার শিক্ষক, অভিভাবকের মতো আমি ও বলছি, নিজেকে যোগ্য প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে মূলবইয়ের উপর গুরুত্ব দিবে। মনে আনন্দ নিয়ে বিষয়বস্তু অনুশীলন করবে। এখনও যে অংশটুক ুনিজের কাছে অস্পষ্ট রয়েছে বলে মনে করো তা তোমার শিক্ষক শিক্ষক-মা-বাবার নিকট আলোচনা করে স্বচ্ছ ধারণা নাও। যুক্তি নির্ভর উত্তর দিতে চেষ্টা করবে। ভুল উত্তর দেওয়া ও অপ্রাসঙ্গিক উত্তর লেখা হতে বিরত থাকতে হবে। উত্তর লিখতে গিয়ে যেন কাঁটাকাঁটি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে। যদি করতেই হয়, তবে লেখার পর দিয়ে লম্বালম্বিভাবে দাগ টেনে কেঁটে দেয়া ভালো। আড়াআড়িভাবে বা ক্রস চিহ্ন দিয়ে কাঁটতে গেলে উত্তরপত্রের সৌন্দর্য কিছুটা হলে ও নষ্ট হবে। পরীক্ষার খাতায় সুন্দরভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে হবে। সেজন্য অবশ্যই প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে হবে। খাতায় পেন্সিল দিয়ে মার্জিন টেনে দিলে ভালো দেখায়। একটি উত্তর লেখা যেখানে শেষ, তার বেশ খানিকটা নিচ থেকে পরের প্রশ্নের উত্তর লিখবে। Time and tide wait for none.তাই সময়ের প্রতি সচেতন থেকো, এজন্য বাসায় বসে নিজে নিজেই বিভিন্ন স্কুলের প্রশ্ন নিয়ে সময় দেখে পরীক্ষা দেয়ার অভ্যাস চালিয়ে যেতে পারো। তোমাদের সকলের মঙ্গল কামনা করি।