সুবোধ সরকারের কবিতা নিয়ে ‘দুই বাংলা এক সুবোধ’

চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত কাব্য সন্ধ্যাটি ছিল নান্দনিকতায় পরিপূর্ণ। ‘দুই বাংলা এক সুবোধ’ শিরোনামে আবৃত্তি সন্ধ্যায় মুগ্ধতা ছড়ান এপার বাংলার খ্যাতিমান বাচিকশিল্পী আয়েশা হক শিমু ও ওপার বাংলার জনপ্রিয় আবৃত্তিশিল্পী রুমকি গাঙ্গুলি।

ওপার বাংলার কিংবদন্তী কবি সুবোধ সরকারের কবিতা নিয়ে তাদের অনবদ্য পরিবেশনায় কবিতাপ্রেমীরা যেমন মুগ্ধ হয়েছেন, ঠিক তেমনি আস্বাদন করেন কাব্য-সাহিত্যের রস।

প্রেম-দ্রোহ আর দেশাত্মবোধের কবিতা আবৃত্তিতে হলভর্তি দর্শক শুধু ছন্দের দোলায় আচ্ছ্বাদিত হননি, হয়েছেন আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত।

চট্টগ্রাম একাডেমির আয়োজনে পুরো অনুষ্ঠানে কানায় কানায় পূর্ণ ছিল মিলনায়তন। আয়েশা হক শিমু ও রুমকি গাঙ্গুলি মন্ত্রমুগ্ধের মতো আবিষ্ট করে রাখেন শ্রোতাদের।

আয়েশা হক শিমুু পরিবেশন করেন বাংলা, শাড়ি, ছোট ষড়যন্ত্র, কলেজের এক ছাত্রী রবীন্দ্রনাথকে, অশ্বকাহিনি, সেই সাংঘাতিক লোকটা, বরিস পাস্তোরোনাদের বাড়ি থেকে বলছি, রূপম ও সীতা।

রুমকি গাঙ্গুলি পরিবেশন করেন খোলা চিঠি দুর্গাকে, ময়ূরপঙ্খী, বৈশাখী, রজনীগন্ধা কফিন, কৃষ্ণকলি মাহাতো, দুব্বো ও কবি রাশেদ রউফের কবিতা মুক্তিযুদ্ধ।

অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত শিশুসাহিত্যিক রাশেদ রউফ।

কবি সুবোধ সরকারের শুভেচ্ছা বাণী পাঠ করেন দীপাঞ্জন ঘোষ।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম একাডেমির পরিচালক অধ্যক্ষ রীতা দত্ত, কবি কামরুল হাসান বাদল, চট্টগ্রাম একাডেমির মহাপরিচালক শিশুসাহিত্যিক অরুণ শীল।

অধ্যক্ষ রীতা দত্ত বলেন, ‘সংস্কৃতি জগতে বাংলাদেশ ও ভারতের দারুণ মেলবন্ধন রয়েছে। কেননা, আমরা একই সংস্কৃতির উত্তরাধিকারী। সুবোধ সরকারের কবিতা নিয়ে এ আয়োজন সত্যিই সম্প্রীতির বন্ধনে আমাদের জড়িয়ে রাখবে। অনুপ্রেরণা জোগাবে অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি চর্চার।’