গল্প কথায় পদার্থবিজ্ঞান:রবীন্দ্রনাথ ও আইনস্টাইন

গল্প কথায় পদার্থবিজ্ঞান:রবীন্দ্রনাথ ও আইনস্টাইন
আইনস্টাইন ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক তানভীর মাহতাব সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস কমিটির মিটিংএ যোগ দিতে এবং মাস্টার্সের ফাইন্যাল পরীার প্রশ্ন মডারেশন এর কাজে সিলেট এসেছিলেন। তিনি জার্মানির কার্ল মার্কস ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেছেন। সিলেটে তাঁর সাথে স্ত্রী আফরা আনজুমও ছিলেন। আফরা আনজুম একটা স্কুলের শিক। মাধ্যমিক পর্যায়ে পদার্থবিজ্ঞান পড়ান। তাঁরা দুজনই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স কমপিট করেছেন। তারপর আফরা আনজুম আর পড়াশুনা করেননি। তাঁরা সিলেট এসে নীলকান্তবাবুর বাসায় থাকলেন। নীলকান্তবাবু তানভীর সাহেবের কাসমেট। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একসাথে পদার্থবিজ্ঞান পড়েছেন। কটাদিন বেশ আনন্দের সাথেই কেটেছে। নীলকান্তবাবুর স্ত্রী কমলার হাতের রান্না খুব চমৎকার। তানভীর সাহেব সস্ত্রীক যে কয়দিন থেকেছেন-রন্ধনশৈলীতে মুগ্ধ থেকেছেন। কমলা আবার কমার্স গ্র্যাজুয়েট। তিনি বিজ্ঞানের মারপ্যাচ, বিশেষ করে পদার্থবিজ্ঞানের মতো কঠিন বিষয়ের ইকুয়েশনগুলো বেশ ভয়ের চোখেই দেখেন। এর পরেও বিজ্ঞানের প্রতি তাঁর যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। গল্প-কথায় পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা শুরু হলেই তিনিও এসে যোগ দেন, এটা-সেটা প্রশ্ন করে উত্তর জানতে চেষ্টা করেন।

নীলকান্তবাবু এবং কমলার পাঁচ ছেলেমেয়ে। বিন্দু, রেখা, কণিকা, সীমা, অণু। বিন্দু ছোট মেয়ে, একটু চঞ্চল। বেশিণ এক জায়গায় বসতে পারে না, কিন্তু পড়াশুনায় ভালো। সে বিজ্ঞানের গল্পের চেয়ে অন্য গল্প বেশি পছন্দ করে। বিশেষ করে রূপকথার রাস-খোসের গল্প। বড় হয়ে সে একজন লেখক হবে, তার ইচ্ছা।

কণিকা, সীমা, অণু, রেখা এরা সবাই বিজ্ঞানের ভক্ত। বিজ্ঞানের গল্প শুনলে বলতে গেলে এক পায়ে খাড়া। তানভীর মাহতাব আর আফরা আনজুমকে তো কয়েকটা দিন ওরা ছাড়েইনি। সারাটা দিন পদার্থবিজ্ঞানের গল্প। আর এঁরাও ুদে বিজ্ঞানীদেরকে গল্প শোনাতে পেরে আনন্দিত। রেখার আবার গানের গলা চমৎকার, বিশেষ করে রবীন্দ্রসঙ্গীত। নীলকান্তবাবুর বোনের ছেলেমেয়ে আকাশ আর চন্দ্রাও বেড়াতে এসেছে চট্টগ্রাম থেকে। আকাশ খুব মেধাবি ছেলে।

গত ৫, ৬, ও ৭ নভেম্বর ২০১৯ সিলেটবাসী মহা উৎসাহ, আনন্দ ও ধুমধামের সাথে একটা উৎসব পালন করল। ঠিক একশ বছর আগে ১৯১৯ সালের ৫ নভেম্বর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সিলেট এসেছিলেন এবং ৬ ও ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ছিলেন। তিন দিনে তিনি সিলেটের মানুষজন কর্তৃক শ্রদ্ধাভরে অভিনন্দিত ও অভিষিক্ত হয়েছিলেন। এর ঠিক একশ বছর পর ২০১৯খ্রিস্টাব্দে সিলেটের বর্তমান প্রজন্ম এটি স্মরণ করে আনন্দে মাতোয়ারা হয়।

অনুষ্ঠানমালাও চমৎকারভাবে সাজানো হয়। রবীন্দ্রনাথ যেখানে যেখানে গিয়েছিলেন, ঠিক সেখানে সেখানে সেভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল ৫ নভেম্বর মঙ্গলবার শ্রীহট্ট ব্রাহ্মসমাজ আয়োজিত ব্রাহ্মমন্দিরে রবীন্দ্রনাথ, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে কিনব্রিজ প্রাঙ্গন থেকে শোভাযাত্রা, রবীন্দ্রনাথের ম্যুরাল উন্মোচন, বিকাল চারটা থেকে অর্ধসহস্রাধিক শিল্পীর পরিবেশনায় নৃত্য, আবৃত্তি ও সঙ্গীত। ৬নভেম্বর ২০১৯ ছিল মাছিমপুরে রবীন্দ্রনাথ, সিংহবাড়িতে রবীন্দ্রনাথ, শোভাযাত্রা, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মুরারিচাঁদ কলেজে রবীন্দ্রনাথ, ম্যুরাল উদ্বোধন, ৭ নভেম্বর ২০১৯ ছিল ‘রবীন্দ্রনাথ ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার, দুইদিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন, সম্মেলক আবৃত্তি, দলীয় ও একক নৃত্য, দেশবিদেশের অনেক বিখ্যাত শিল্পীদের এবং নবীন শিল্পীদের পরিবেশনা। ৮ নভেম্বর ২০১৯ শুক্রবার বিকেল চারটায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন মন্ত্রি ও এমপিদের অতিথি করে অনুষ্ঠান। এতেও দেশ বিদেশের বরেণ্য শিল্পীদের পরিবেশনা ছিল। ভারতের শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন ড. পূবালী দেবনাথ, শুভপ্রসাদ নন্দী মজুমদার, জয়তী চক্রবর্তী, সাহেব চট্টোপাধ্যায়, মেধা বন্দ্যোপাধ্যায়, পদ্মশ্রী পূর্ণদাস বাউল, অগ্নিভ বন্দোপাধ্যায়। বাংলাদেশ থেকে ছিলেন-রাণাকুমার সিনহা, সুমনা আজিজ, প্রতীক এন্দ, অনিমেষ বিজয় চৌধুরী, আসাদুজ্জামান নূর, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, লাইসা আহমেদ লিসা, ড. অনুপম কুমার পাল, ড. অসীম দত্ত, রেখাসহ অন্যান্যরা তো ছিলই। এ উপলে একটি স্মরণিকাও প্রকাশ করা হয়। ‘সিলেটে রবীন্দ্রনাথ আগমনের শতবর্ষ’ শিরোনামে সংকলনটিতে বাণী দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রি এ কে আবদুল মোমেন এমপি, পরিকল্পনামন্ত্রি এম এ মান্নান এমপি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রি মো. শাহাবউদ্দিন এমপি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রি ইমরান আহমদ এমপি, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রি কে এম খালিদ এমপি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রি মো. মাহবুব আলী এমপি, সিলেটে রবীন্দ্রনাথ শতবর্ষ স্মরণোৎসব পর্ষদ এর আহ্বায়ক ও প্রাক্তন অর্থমন্ত্রি আবুল মাল আবদুল মুহিত, সদস্যসচিব ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সংকলনটির সম্পাদক ছিলেন শামসুল আলম সেলিম।

রবীন্দ্রনাথ একশ বছর আগে যে দুটি বক্তৃতা করেছিলেন সিলেট এসে, ‘বাঙালীর সাধনা’ এবং ‘আকাক্সা’ শিরোনামে সেই বক্তৃতা দুটি এই সংকলনে পুনঃপ্রকাশ করা হয়।

সকল অনুষ্ঠানেই রেখার অংশগ্রহণ ছিল। সম্মিলক কন্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীত এবং একক কন্ঠে ‘আকাশ ভরা, সূর্য তারা’ গানটি দর্শকনন্দিত হয়েছে। নীলকান্তবাবু তানভীর সাহেবকে ফোন করেছিলেন-দোস্ত, ভাবিকে নিয়ে সিলেট চলে এসো, লাখো লোকের সমাগম হবে, মিলনমেলা হবে একটা, সেইসাথে নান্দনিক পরিবেশনা তো আছেই। তানভীর সাহেব স্যরি বললেন। না দোস্ত, ডিপার্টমেন্টে অনেক ঝামেলা। কাজ পড়ে আছে, এবারে আসতে পারছি না।

কী আর করা, নীলকান্তুবাবু ছেলেমেয়ে ভাগনা-ভাগনি আর স্ত্রীকে নিয়েই অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন। একেবারে শেষ পরিবেশনা ছিল রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার গান। সেইসময় আবার বৃষ্টিও ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছিল। অনুষ্ঠানের এক ফাঁকে নীলকান্তবাবু রেখাকে বললেন-জানিস, বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এবং রবীন্দ্রনাথ পরস্পরের বন্ধু ছিলেন।

রেখা তো অবাক! রবীন্দ্রনাথ হলেন এতোবড় কবি। আর বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর সাথে তাঁর বন্ধুত্ব, কীভাবে ঘটল?

নীলকান্তবাবু বললেন-এখন না, বাসায় গিয়ে তোকে সেই গল্প বলব।

বাসায় এসে রেখা বাবাকে ধরল, আইনস্টাইন-রবীন্দ্রনাথ গল্প বলার জন্য। চন্দ্রা, আকাশ, বিন্দু, অণু, সীমা, কণিকা সবাই এলো মজার কাহিনি শুনবে। কমলাও এককাপ চা হাতে এসে বসলেন।

রবীন্দ্রনাথ এবং আইনস্টাইন এর মধ্যে পাঁচবার কথা হয়েছিল। ১৯২১ সালে একবার এবং ১৯৩০ সালে চারবার রবীন্দ্রনাথ বার্লিনে আইনস্টাইনের সাথে দেখা করে ‘বাস্তবতা কী’ এই নিয়ে কথা বলেন। আইনস্টাইন বলেছিলেন জার্মান ভাষায় আর রবীন্দ্রনাথ ইংরেজিতে। দোভাষী ছিলেন দিমিত্রি মারিয়ানফ। এই আলোচনা ১৯৩০ সালের আগস্ট মাসে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তো বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন না-বললেন কমলা।

বিজ্ঞানের ছাত্র না হলেও তিনি বিজ্ঞান পড়েছেন সেই ছোটবেলা থেকে। জ্যোতির্বিদ্যা, প্রাণিবিদ্যাসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের অসীম আগ্রহ ছিল। বিশাল মহাকাশ সম্পর্কে তিনি অশেষ আগ্রহ পোষণ করতেন, প্রাণের উদ্ভব ও বিকাশ সম্পর্কেও তিনি কৌতূহলী ছিলেন।১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে ‘সঞ্চয়’ নামে যে প্রবন্ধসংকলনটি প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে বিজ্ঞানবিষয়ক প্রবন্ধ ছিল।

বিন্দু বলল-কিন্তু আমরা তো রবীন্দ্রনাথের ছোটদের গান শুনেছি। আমাদের স্কুলে আমরা গাই আজ আমাদের ছুটি ও ভাই, আজ আমাদের ছুটি।

রেখা বলল-রবীন্দ্রনাথের বিজ্ঞানের গানও আছে।

তাই নাকি! বলল সীমা। একটা গেয়ে শোনাও তো।

রেখা গান ধরল-কঠিন লোহা কঠিনঘুমে ছিল অচেতন

ও তার ঘুম ভাঙ্গাইনু রে।

অচল ছিল সচল হয়ে

ছুটেছে ওই জগৎ জয়ে

নির্ভয়ে আজ দুই হাতে তার

রাশ বাগাইনু রে।

গান শেষ হলে বিন্দু হাসতে হাসতে বলল-কঠিন গান।

আকাশ বলল-কিন্তু মামা, আইনস্টাইন এক মেরুর মহাপুরুষ, রবীন্দ্রনাথ অন্য মেরুর। তাঁদের দুজনের মধ্যে কী কথা হতে পারে?

হতে পারে, বললেন নীলকান্তবাবু। আইনস্টাইনের স্থান-কাল এর ব্যাখ্যা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের কিছুটা ধারণা ছিল। রবীন্দ্রনাথ বললেন-আপনি গণিতের দুটো প্রাচীন সত্তা, দেশ ও কাল নিয়ে গবেষণায় ব্যস্ত, আর আমি অনন্ত বিশ্ব, বাস্তবতার বিশ্ব-এসব নিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছি।

আইনস্টাইন রবিঠাকুরকে সরাসরি প্রশ্ন করলেন-আপনি কি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন দৈব সত্তায় বিশ্বাস করেন?

রবিঠাকুর বললেন-বিচ্ছিন্ন নয়, মানুষের অনন্ত ব্যক্তিত্বই বিশ্বকে বোধগম্যতায় নিয়ে আসে। কোনও বস্তু প্রোটন ও ইলেকট্রন দিয়ে তৈরি, তাদের মধ্যে রয়েছে ফাঁক, কিন্তু বন্তুকে তো ঘনসংবদ্ধই মনে হয়। এতে তো কোনও ফাঁক মনে হয় না। একইভাবে মানুষ জগৎকে সপ্রাণ ঐক্য প্রদান করে।

আইনস্টাইন বলেন-বিশ্বের প্রকৃতি সম্পর্কে দুটি পৃথক ধারণা রয়েছে। এক-একটি অনন্য একক হিসেবে বিশ্ব বা প্রকৃতি যা মানুষের ওপর নির্ভরশীল, দুই-বিশ্বের বাস্তবতা মানব-নিরপে।

বিন্দু অবাক হয়ে বলল-রবীন্দ্রনাথ কি ইলেকট্রন প্রোটন সম্পর্কে ধারণা রাখতেন?

অবশ্যই, বললেন নীলকান্তবাবু। রবীন্দ্রনাথ তো ‘বিশ্বপরিচয়’ নামে একটি বিজ্ঞানের বইও লিখেছিলেন। ১৯৩৭ সালে বইটি প্রকাশিত হয়। এই বইতে পাঁচটি প্রবন্ধের সবগুলোই বিজ্ঞানের। এর মধ্যে কোনও সাহিত্যিক দর্শন নেই।

চন্দ্রা এতণ অবাক হয়ে শুনছিল। সে বলল-প্রবন্ধগুলো কী কী?

নীলকান্তবাবু বললেন-এগুলো হচ্ছে পরমাণুলোক, নত্রলোক, সৌরজগৎ, গ্রহলোক ও ভূলোক।

বিন্দু বলল-খালি লোক, লোক।

হ্যাঁ, বললেন নীলকান্তবাবু। বইটি লিখার জন্য রবীন্দ্রনাথকে অনেক কষ্ট স্বীকার করতে হয়েছে। ইংরেজি ভাষায় পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কিত কমপে আটটি বই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পড়েছিলেন তিনি। প্রথমে তিনি শান্তিনিকেতনে বিজ্ঞানের অধ্যাপক প্রমথনাথ সেনগুপ্তকে বিজ্ঞানবিষয়ক বই লেখার ভার দিয়েছিলেন। বইএর ভাষা তিনি নিজেই ঠিক করে দিতেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরো বইটি তিনি নিজেই লিখেছিলেন।

অনেকণ পর নীলকান্তবাবু খেয়াল করলেন কমলার হাতে চা এর কাপ। তিনি বললেন-চা কি তুমি একাই খাবে, নাকি আমাদেরও দেবে?

কমলা হেসে বললেন-দিচ্ছি।

নীলকান্তবাবু রেখাকে বললেন, রবীন্দ্রনাথের আরেকটা বিজ্ঞানের গান গা তো-

রেখা গান ধরল- নমো যন্ত্র, নমো যন্ত্র

তুমি চক্রমুখরমন্দ্রিত, তুমি বজ্রবহ্নিবন্দিত

তব বস্তুবিশ্ববােদংশ ধ্বংসবিকট দন্ত।

গান শেষ হলে সবাই বলল, বাঃ।

শিক্ষক: ব্লু বার্ড হাইস্কুল এন্ড কলেজ,সিলেট

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x