ছাব্বিশে মার্চের পূর্বাপর

ছাব্বিশে মার্চের পূর্বাপর
ফাইল ছবি

২৫ মার্চ, ১৯৭১ কালরাতে পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনী স্বাধীনতাকামী নিরস্ত্র, নিরপরাধ বাঙালিদের ওপর আক্রমণ ও হত্যাযজ্ঞ শুরু করে নীলনকশা ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ অনুযায়ী। অপারেশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পাকিস্তানি বাহিনী পরিকল্পনা অনুযায়ী ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পুরান ঢাকা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, তত্কালীন ইপিআর সদর দপ্তর পিলখানাসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসলীলা চালায়। অপারেশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী শুধু ঢাকা শহর নয়, আক্রমণ পরিচালিত হয় চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, যশোর, দিনাজপুর, রংপুর, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন বড় শহরে।

মুক্তিযুদ্ধোত্তর ’৭২-এর ১৮ জানুয়ারি প্রখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্টের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু তার সাক্ষাত্কার ২৫ মার্চ রাতের অভিজ্ঞতা ও তার গ্রেফতার বরণের ঘটনা বর্ণনা করেন এভাবে—‘সে এক কাহিনী...সে সন্ধ্যায় আমার বাড়ি পাকিস্তান সামরিক জান্তার কমান্ডো বাহিনী ঘেরাও করেছিল। ওরা আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। প্রথমে ওরা চেয়েছিল, আমি বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলে ওরা আমাকে হত্যা করবে এবং প্রচার করে দেবে যে, তারা যখন আমার সঙ্গে রাজনৈতিক আপসের আলোচনা করছিল, তখন বাংলাদেশের চরমপন্থীরাই আমাকে হত্যা করেছে। আমি বাড়ি থেকে বেরুনো না বেরুনো নিয়ে চিন্তা করলাম। আমি জানতাম, আমি আত্মগোপন করলে, ওরা দেশের সমস্ত মানুষকেই হত্যা করবে।’ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের পর আদমজি ক্যান্টনমেন্ট স্কুলে ঐ রাতে রাখা হয়। এর তিন দিন পর তাকে পশ্চিম পাকিস্তানের করাচি নিয়ে যাওয়া হয়।

বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হওয়ার পূর্বমুহূর্তে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে। শুরু হয় দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ।

বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতা ঘোষণা এবং স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরুর বিশাল ও ব্যাপক এক প্রেক্ষাপট বিদ্যমান। পূর্ব পাকিস্তান তথা পূর্ব বাংলার মানুষ স্বাধীনতার জন্য প্রায় ২০০ বছর ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে অসংখ্য বাঙালি জীবন উত্সর্গ করেছেন, ফাঁসির মঞ্চে গিয়েছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্ব বাংলার মানুষ ভেবেছিল স্বাধীনতা পেয়েছে। কিন্তু মোহভঙ্গ হতে বেশি সময় লাগেনি।

’৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর শুরু হয় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর বহুমুখী ষড়যন্ত্র। ৩ মার্চ ’৭১ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা হলেও ১ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের আহূত অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেন। নির্বাচনে বিজয়ী বাঙালি জাতি ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী-পেশানির্বিশেষে প্রতিবাদে-বিস্ফোরণে ফেটে পড়ে। তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানের হাইকোর্টের আইনজীবীরা ইয়াহিয়া খানের অধিবেশন স্থগিত করার প্রতিবাদে রাজপথে নামে অন্যান্য সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে।

বঙ্গবন্ধু ২ মার্চ এক বিবৃতিতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর এহেন তত্পরতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ৭ মার্চ পর্যন্ত নিম্নোক্ত কর্মসূচি ও নির্দেশনাসমূহ প্রদান করেন-

‘ক. ৩ মার্চ থেকে আগামী ৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সরকারি অফিস, সেক্রেটারিয়েট, হাইকোর্ট ও অন্যান্য কোর্ট-কাছারি, স্বায়ত্তশাসিত করপোরেশন, পিআইএ, রেলওয়ে ও অন্যান্য যোগাযোগ সংস্থা, পরিবহন, সরকারি ও বেসরকারি কলকারখানা, ফ্যাক্টরি, শিল্প ও বাণিজ্যিক সংস্থা ও বাজারসহ সর্বত্র হরতাল। হরতাল আওতার বাইরে থাকবে : অ্যাম্বুলেন্স, সংবাদপত্রের গাড়ি, হাসপাতাল, ওষুধের দোকান, বিদ্যুত্ ও পানি সরবরাহ সংস্থা।

খ. ৩ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশনের কথা ছিল। এই দিন এখন জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হবে। এই উপলক্ষ্যে বিকাল ৪টায় ছাত্রলীগের জনসভার অব্যবহিত পর পল্টন ময়দান থেকে এক মিছিলের আমি নেতৃত্ব করব।

গ. রেডিও, টেলিভিশন বা সংবাদপত্রসমূহ ঘটনাবলি সম্পর্কে আমাদের বক্তব্য বা বিবৃতি পেশ না করলে এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত সব বাঙালি বাংলাদেশের ৭ কোটি মানুষের কণ্ঠ রোধের অপচেষ্টার সঙ্গে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করবেন।

ঘ. ৭ মার্চ বেলা ২টায় রেসকোর্স ময়দানে এক জনসমাবেশে আমি বক্তৃতা করব। তখন পরবর্তী কর্মপন্থা জানানো হবে।

ঙ. আমি শান্তিপূর্ণ সুশৃঙ্খলভাবে আমাদের সাধারণ সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আবেদন জানাচ্ছি। আমি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে, কোনো প্রকার শৃঙ্খলাভঙ্গ আমাদের আন্দোলনের স্বার্থের পরিপন্থী হবে এবং উস্কানিদাতা ও গণবিরোধী চক্রের স্বার্থের অনুকূল হবে।’

৭ মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু লাখ লাখ জনতার সামনে বজ্রকণ্ঠে আহ্বান জানালেন, ‘...এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এই দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম—এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।’

২ মার্চ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ পতাকা দিবস পালন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে, পরে সে পতাকা সারা দেশের অফিস-আদালত, বাড়িঘরে উত্তোলিত হয়।

৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের অফিস-আদালত কোর্ট-কাচারি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কীভাবে পরিচালিত হবে সে সম্পর্কে ঘোষণা দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি পরিষ্কার অক্ষরে বলে দেবার চাই যে, আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্ট-কাচারি, আদালত-ফৌজদারি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। গরিবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে সেজন্য সমস্ত অন্যান্য যে জিনিসগুলো আছে, সেগুলোর হরতাল কাল থেকে চলবে না। রিকশা, গরুর গাড়ি, রেল চলবে, লঞ্চ চলবে; শুধু সেক্রেটারিয়েট, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজ কোর্ট, সেমি-গভর্নমেন্ট দপ্তর, ওয়াপদা—কোনো কিছু চলবে না। ২৮ তারিখে কর্মচারীরা গিয়ে বেতন নিয়ে আসবেন। এরপর যদি বেতন দেওয়া না হয়, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোককে হত্যা করা হয়, তোমাদের কাছে অনুরোধ রইল—প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে তা-ই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছুই—আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি—তোমরা বন্ধ করে দেবে।’

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ৮ মার্চ হতে পরবর্তী এক সপ্তাহের জন্য নিম্নোক্ত কর্মসূচি ও নির্দেশনা দেওয়া হয়—

‘১. খাজনা-ট্যাক্স বর্জন আন্দোলন অব্যাহত থাকবে; ২. সেক্রেটারিয়েট, সরকারি ও আধাসরকারি অফিস, হাইকোর্ট ও বাংলাদেশের অন্যান্য আদালত হরতাল পালন করবে। মাঝে মাঝে প্রয়োজনবোধে এ ব্যাপারে কোনো কোনো অংশকে হরতালের আওতামুক্ত ঘোষণা করা হবে; ৩. রেলওয়ে ও বন্দরগুলো চালু থাকতে পারে। কিন্তু যদি জনগণের ওপর নির্যাতন চালানোর উদ্দেশ্যে সৈন্য সমাবেশের জন্য রেলওয়ে ও বন্দরগুলো ব্যবহার করা হয় তাহলে রেলওয়ে শ্রমিকরা সহযোগিতা করবেন না; ৪. বেতার, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রগুলোকে আমাদের বিবৃতিসমূহের পূর্ণ বিবরণ প্রচার করতে হবে এবং তারা জনগণের আন্দোলন সম্পর্কে খবর গোপন করতে পারবে না, অন্যথায় এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত বাঙালিরা সহযোগিতা করবেন না; ৫. কেবল স্থানীয় এবং আন্তঃজেলা ট্রাংক টেলিফোন যোগাযোগ চালু থাকবে; ৬. সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে; ৭. ব্যাংকগুলো স্টেট ব্যাংকের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো উপায়ে দেশের পশ্চিম অংশে অর্থ পাচার করতে পারবে না; ৮. প্রতিদিন সকল ভবনে কালো পতাকা উত্তোলন করতে হবে; ৯. অন্য সকল ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ অথবা আংশিক হরতাল ঘোষণা করা হতে পারে; ১০. প্রতি ইউনিয়ন, মহল্লা, থানা, মহকুমা ও জেলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ইউনিটের নেতৃত্বে একটি করে সংগ্রাম পরিষদ গঠন করতে হবে।’

১৪ মার্চ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ৩৫ দফা নির্দেশনা প্রদান করা হয়। ঐ ৩৫ দফা নির্দেশনার ১ নম্বর নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছিল—‘কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সেক্রেটারিয়েটসমূহ, সরকারি, সরকারি ও বেসরকারি অফিসমূহ, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানসমূহ, হাইকোর্ট এবং বাংলাদেশস্থ সকল কোর্ট হরতাল পালন করবে এবং প্রদত্ত বিশেষ নির্দেশানাবলি এবং বিভিন্ন সময়ে যেসব ছাড় দেওয়া হবে তা সবই মেনে চলতে হবে।’

২ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধুর উপরিউক্ত নির্দেশনাসমূহ এবং তার সফল বাস্তবায়ন প্রমাণ করে, ২ মার্চ থেকে কার্যত ও মূলত তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্তৃত্বের (অথরিটি) অধিকারী ছিলেন বঙ্গবন্ধু; তিনিই ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের অঘোষিত সরকারপ্রধান; এবং তারই প্রতিটি নির্দেশনা যথাযথভাবে কার্যকর ও প্রতিপালিত হয়েছে। অহিংস, অসহযোগ আন্দোলনের পাশাপাশি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট বুঝতে হলে ২ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতা ঘোষণার সময়কাল পর্বটিও অন্যান্য কালপর্বসমূহের সঙ্গে গভীরভাবে অনুধাবনের প্রয়োজন। ’৭০-এর নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভের পর বঙ্গবন্ধু জনগণকে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করেছিলেন ধাপে ধাপে। ২ মার্চের পর বিশেষত ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর বজ্রকঠিন মুক্তি ও স্বাধীনতার ঘোষণা সমগ্র বাঙালি জাতিকে সামগ্রিকভাবে জনযুদ্ধ করার প্রস্তুতি গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছিল। শুরু হয়েছিল ছাত্র-যুবক-তরুণদের যুদ্ধের প্রস্তুতি। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছাত্রীরাও ডেমি রাইফেল নিয়ে শুরু করেছিল যুদ্ধের প্রস্তুতি। জনগণের কোনো অপেক্ষা ছিল না কোনো বেতার ঘোষণার। স্বাধীনতাকামী প্রতিটি বাঙালি নিজ নিজ দায়িত্বে বাঁশের লাঠি নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর দ্বারা আক্রান্ত হলে বীর বাঙালি গড়ে তোলে প্রতিরোধ। শুরু হয় রক্তাক্ত লড়াই, সংগ্রাম।

একটি দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রাম হলো দীর্ঘ একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক লড়াই-সংগ্রামের ফসল।’ একাত্তরের নয় মাসের স্বাধীনতাযুদ্ধ দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের অসংখ্য অধ্যায়ের একটি অধ্যায় মাত্র। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের পর পাকিস্তান সৃষ্টির পর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে সংগ্রাম পূর্ব বাংলার বাঙালি শুরু করেছিল তার অনিবার্য ও শেষ ধাপ ছিল ’৭১-এর স্বাধীনতাযুদ্ধ। স্বাধীনতা কোনো ক্রয়যোগ্য পণ্য বা শৌখিন কোনো বিষয় নয়—অর্জনের বিষয় অপরিসীম ত্যাগের বিনিময়ে। একটি ঘোষণা পাঠে একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয় না—স্বাধীনতা আসে না। স্বাধীনতাসংগ্রামের দীর্ঘ রক্তাক্ত পথপরিক্রমা যারা জেনেবুঝে অস্বীকার করে স্বাধীনতাকে কথিত এক সেনা কর্মকর্তার শুধু ঘোষণা পাঠের অবদান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার অপচেষ্টায় লিপ্ত, সেসব জ্ঞানপাপীর প্রতি জাতির ধিক্কার।

লেখক: বিচারপতি, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ এবং সাবেক চেয়ারম্যান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১, বাংলাদেশ

ইত্তেফাক/কেকে

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x