টাঙ্গাইলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা উজ্জীবিত করছে নানা ভাস্কর্য ও স্মৃতিস্তম্ভ

টাঙ্গাইলের মুক্তিযুদ্ধের নানা স্মারক
টাঙ্গাইলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে নানা ভাস্কর্য আর ম্যুরাল। ছবি: মামুন হায়দার

মুক্তিযুদ্ধের চারণ ভূমি টাঙ্গাইল। ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির উর্বর ভূমিও টাঙ্গাইল। সমৃদ্ধ এ জেলার রয়েছে দিগন্ত জোড়া সৌন্দর্য। প্রকৃতির রঙ আর ভোরের আলো ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে গৌরবময় ইতিহাসের আলো ছড়ায় এ জেলা। এই আলোতে রয়েছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ আর সংগ্রাম ইতিহাসের কথা। মুক্তিযুদ্ধে অবিস্মরণীয় ইতিহাসের জন্ম দিয়েছিল স্বাধীনতাকামী টাঙ্গাইলের মানুষরা। সেই সাহসী অগ্রজদের অনেকেই হয়তো বেঁচে নেই। কিন্তু তাদের সে দিনের স্মৃতি আজও বেঁচে আছে। উজ্জ্বল হয়ে আছে সাহস, দৃঢ়তা আর আত্মত্যাগের অনবদ্য ইতিহাস।

একাত্তরে টাঙ্গাইলবাসীর স্মৃতিবিজড়িত সংগ্রামের কথাগুলো শুধু বইয়ের পাতাতে নয়, তুলে ধরা হয়েছে ভাস্কর্য-ম্যুরালসহ বিভিন্ন স্থাপনাতে। অসংখ্য শহীদের রক্তে ভেজা টাঙ্গাইলের ইতিহাস যেন বরাবরই জাগ্রত। ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভাস্কর্য আর ম্যুরাল। প্রতিটি এলাকায় ছড়িয়ে আছে বধ্যভূমি। দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা উজ্জীবিত রাখতে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্মিত হয়েছে ভাস্কর্য ও স্মৃতিফলক। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ, শপথস্তম্ভ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি যাদুঘর, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ, ভাস্কর্য, স্মৃতিফলক, বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, মুক্তিযোদ্ধা গ্রন্থাগার ও বধ্যভূমি নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এসব স্মারক স্মৃতি চিহ্ন।

মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের নাম এক অবিস্মরণীয় অনন্য স্বাতন্ত্রে চিহ্নিত। মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধকে সুসংগঠিত ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ১১টি সেক্টর প্রতিষ্ঠা করেছিল। এছাড়া অতিরিক্ত একটি সেক্টর বেসামরিক প্রক্রিয়ায় কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে। টাঙ্গাইল জেলা (আরিচা নগরবাড়ী থেকে ফুলছড়ি বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত নদীর সর্বত্র), জামালপুর, নেত্রকোনার অংশ বিশেষ, ময়মনসিংহ, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ জেলার বৃহত্তর অংশ এবং গাজীপুর ও ঢাকা জেলার উত্তরাঞ্চল এই বাহিনীর যুদ্ধাঞ্চল ছিল।

কাদের সিদ্দিকী ছাড়াও টাঙ্গাইলের দক্ষিণাঞ্চলে খন্দকার আব্দুল বাতেনের নেতৃত্বে ‘বাতেন বাহিনী’ নামেও একটি গণবাহিনী গঠিত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে বাতেন বাহিনীর বীরত্বও অবিস্মরণীয়। খন্দকার আব্দুল বাতেনের নেতৃত্বে দক্ষিণ টাঙ্গাইলে ঢাকা জেলার কিছু অংশ, গাজীপুর, পাবনা, মানিকগঞ্জ জেলার কিছু অংশ ও সিরাজগঞ্জ জেলার বৃহত্তর অংশে যুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে। বাতেন বাহিনীতে সাড়ে তিন হাজার সশস্ত্র যোদ্ধা ছিলেন। ২১টি কোম্পানির সমন্বয়ে বাতেন বাহিনী গঠিত হয়।

স্থানীয় ইতিহাসবিদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা পরিষদ, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ও গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলায় স্থানীয় রাজাকার, আলবদর, আল শামস ও শান্তি কমিটি গঠন করে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ক্যাম্প স্থাপন করে ব্যাপক অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ, নারীদের সম্ভ্রম হনন ও গণহত্যা চালায়। অগণিত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী সাধারণ নারী-পুরুষ-শিশুকে হত্যা করে। টাঙ্গাইলে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের অসামান্য অবদানকে ধরে রাখতে জেলার বিভিন্ন স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে।

১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন পুলিশ প্যারেড ময়দান বর্তমানে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে টাঙ্গাইল জেলায় প্রথম মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে শ্বেত পাথরের প্রস্তররফলক উদ্বোধন করেন। ওই সময় তার সঙ্গে ছিলেন কাদেরিয়া বাহিনীর সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম। তবে সময়ের সাথে সাথে অবহেলা আর অযত্নে প্রস্তররফলকটি মাটিচাপা পড়ে যায়।

পরবর্তীতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি রক্ষায় স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ ও সাত শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ’র অবয়বের ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়। ভাস্কর্য শিল্পী অজিত পালের নকশায় ২০১২ সালের ১৩ মে টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে মুক্তমঞ্চের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক এম বজলুল করিম চৌধুরী। ২০১৬ সালের ২৪ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল দৃষ্টিনন্দন মুক্তমঞ্চটির উদ্বোধন করেন। পরে মুক্তমঞ্চের পাশে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতার ম্যুরাল নির্মাণ করেন।

টাঙ্গাইল জেলা সদরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পূর্ব পাশের খোলা জায়গায় ১৮৩ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নাম সংবলিত স্মৃতিফলক ২০০৪ সালের ৮ জুলাই তৎকালীন জেলা প্রশাসক ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বেগম কওছার জহুরা উদ্বোধন করেন। স্মৃতিস্তম্ভটির নকশা করেন টাঙ্গাইলের চিত্রশিল্পী শরাফত খান। ২০১৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম স্মৃতিস্তম্ভটির উদ্বোধন করেন।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করলেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে ‘প্রত্যয়-৭১’ নামের ভাস্কর্য। ভাস্কর মৃণাল হক ভাস্কর্যটির নকশা করেন। ২০১২ সালের শেষ দিকে নির্মিত ভাস্কর্যটি ভূমি থেকে চার ফুট উঁচু একটি বৃত্তাকার বেদির উপর স্থাপিত। ভাস্কর্যের মূল অংশে একজন নারীসহ ছয় বীর মুক্তিযোদ্ধার বীরত্বপূর্ণ ভঙ্গিমা রয়েছে-যা মহান মুক্তিযুদ্ধে নারী-পুরুষের সমন্বিত অংশগ্রহণকে ইঙ্গিত করে। এ ছয় বীর সন্তানের প্রতিকৃতি যেন সব মুক্তিযোদ্ধার প্রতিনিধিত্ব করছে। প্রতিকৃতিতে মুষ্ঠিবদ্ধ হাত প্রতিবাদের মূর্তপ্রতীক। অস্ত্রশোভিত প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাই বিজয়ের মন্ত্রে দীক্ষিত। ভাস্কর্যের পেছনে ১৭ ফুট উঁচু দুটি স্তম্ভের মাঝ বরাবর লাল বৃত্ত স্বাধীনতার সূর্যোদয়কে নির্দেশ করে। পেছনের দীর্ঘাকার স্তম্ভ দুটি যুদ্ধকালীন সময়কে বুঝিয়ে দেয়। কষ্টার্জিত মহান স্বাধীনতা ও শান্তির প্রতীকী অর্থ বহন করতে স্তম্ভের গায়ে দুই জোড়া কবুতর শোভিত।

টাঙ্গাইল জেলা মহান মুক্তিযুদ্ধের চারণভূমি হওয়ায় নানা স্থানে মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি রক্ষায় স্মৃতিস্তম্ভ, স্মৃতিফলক, নামফলক, ম্যুরাল, ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর ভূঞাপুর হাইস্কুল মাঠে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নির্দেশে তৎকালীন সরিষাবাড়ী থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাকিম একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেন, যা ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এটাকে টাঙ্গাইল জেলার ইতিহাসে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্মৃতিসৌধ হিসেবে দাবি করা হয়। এছাড়াও স্মৃতি চিহ্নগুলোর মধ্যে ভূঞাপুর লোকমান ফকির মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণের ৫২-৭১ স্মৃতিসৌধ, নিকরাইল ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, ঘাটাইল উপজেলা সদরে ‘বিজয়-৭১’ নামে স্মারকস্তম্ভ, সখীপুরের বহেড়াতৈলে কাদেরিয়া বাহিনীর শপথস্তম্ভ, সখীপুর পৌরশহরের প্রাণকেন্দ্রে ও উপজেলার প্রবেশদ্বারে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, উদয়ন স্কুল প্রাঙ্গণে মুক্তিযোদ্ধা যাদুঘর, কালমেঘাতে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর, সখীপুর পিএম মডেল স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর, মহানন্দপর বিজয় স্মৃতি স্কুল প্রাঙ্গণে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর কাম গ্রন্থাগার, কালিয়ান স্কুল প্রাঙ্গণে বধ্যভূমি এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর ও স্মৃতিসৌধ, কোকিলা পাবরে স্মৃতিসৌধ ও গড়গোবিন্দপুরে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর রয়েছে।

বাসাইল উপজেলা সদরের শহীদ মিনার ও স্মৃতিস্তম্ভ, কাশিল ইউনিয়নে ঝিনাই নদীর তীরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত ‘কামুটিয়া স্মৃতিস্তম্ভ’, কালিহাতীর বাঘুটিয়ায় বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল কলেজ প্রাঙ্গণে স্থাপিত ‘বিজয় একাত্তর’, নাগরপুর উপজেলা সদরে ‘মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ’, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের নগর জালফৈ এলাকায় নির্মিত ম্যুরাল অন্যতম। এছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ১৫৭ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর গণপূর্ত অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাঁধাই করা হচ্ছে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীর বেসামরিক প্রধান সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত প্রয়াত আনোয়ারুল আলম শহীদ টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তার ‘ইছাপুরী লজ’-এ ‘মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর’ প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১০ সালে ওই যাদুঘরটি উদ্বোধন করা হয়। তরুণ প্রজন্ম আগ্রহ নিয়ে প্রতিদিনই যাদুঘরটি দেখতে আসেন। দেশ-বিদেশের অনেক বিশিষ্টজনও যাদুঘরটি পরিদর্শন করেছেন। যাদুঘরে মহান স্বাধীনতার পূর্বে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত একুশের সংকলন, আন্দোলন-সংগ্রামে দিকনির্দেশনা, চিঠিপত্র, পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের চিত্র, মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধকালীন বীরত্ব ও পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং বিজয় অর্জনের পর বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্র জমা দেওয়ার বিভিন্ন ধরনের আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে। এছাড়া যুদ্ধ চলাকালীন ও বিজয়ের পর দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিবেদনের ছবি, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তাঞ্চল থেকে তার সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘রণাঙ্গন’ পত্রিকার কপি, মুক্তাঞ্চলে মুক্তিবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত প্রশাসনিক কর্মকান্ডের বিভিন্ন দলিল, টাঙ্গাইল অঞ্চলে সশস্ত্র যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে শহীদ হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা, ভারতীয় বাহিনীর প্যারাস্যুট, মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে বিধ্বস্ত পাকিস্তানি জাহাজ ‘এসইউ ইঞ্জিনিয়ার্স এলসি-৩ ও এসটি-রাজন’-এর অংশবিশেষসহ অন্যান্য স্মারক যাদুঘরে স্থান পেয়েছে।

লেখক: মামুন হায়দার, সংবাদকর্মী


স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ফিচার লিখে পুরস্কার জিতুন। আপনার জেলার মুক্তিযুদ্ধের স্মারক নিয়ে ফিচার লিখে পাঠিয়ে দিন। নির্বাচিত লেখা প্রকাশ করবে ইত্তেফাক অনলাইন। প্রকাশিত লেখা ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার দিন। সঙ্গে ব্যবহার করুন হ্যাশট্যাগ #IttefaqBD50. প্রতিমাসে সেরা ৫ জন লেখক পাবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার। প্রতিযোগিতার সময় ১ অক্টোবর, ২০২১ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১। লেখা পাঠানোর ঠিকানা: [email protected] | লেখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্মারকের ছবি, লেখকের নাম, ছবি ও ফোন নম্বর পাঠাতে হবে। *প্রতিযোগিতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইত্তেফাক অনলাইন।


ইত্তেফাক/এসটিএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x