শেষ বেলায় মেলা জমে ওঠার প্রত্যাশা

শেষ বেলায় মেলা জমে ওঠার প্রত্যাশা
এ কে তারিকুল ইসলাম রনি। ছবি: ইত্তেফাক

করোনাকাল কাটিয়ে এবার বইমেলা শুরু হয়েছে। নানা বিঘ্নের মধ্যেও বইমেলা চলমান রয়েছে। একুশের বইমেলা আমাদের প্রাণের মেলা। লেখক, প্রকাশক ও পাঠকরা এগারো মাস বইমেলার জন্য অপেক্ষায় থাকে। মেলায় বই প্রকাশের জন্য লেখকরা পাণ্ডুলিপি জমিয়ে রাখে। বইমেলায় অন্য কোনো বিনোদন নেই। কেবল বইয়ের প্রতি ভালোবাসার টানেই লাখ লাখ মানুষ মেলায় আসে। যোগ দেয় বই উৎসবে।

মহামারি করোনায় বিভিন্ন খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গণমাধ্যম এবং প্রকাশনা শিল্প। সারা বছর প্রকাশকরা অলস সময় কাটিয়েছে। বেশির ভাগ প্রকাশকই ঋণ করে কর্মচারীর বেতন দিয়েছে। জীবিকা নির্বাহ করেছে। শুধু টিকে থাকার তাগিদে প্রকাশকরা বৈরী পরিবেশে বইমেলা করতে রাজি হয়েছে। কিন্তু বইমেলা করতে এসে বারবার সময় পরিবর্তন মেলার ছন্দপতন ঘটিয়েছে। এর পরেও আমরা প্রতিকূলতাকে গায়ে না মেখে বইমেলা চালিয়ে যাচ্ছি।

ছবি: ফোকাস বাংলা

প্রকাশকরা মনে করছেন, মেলা চালু রাখার সিদ্ধান্ত সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে এসেছে। সরকারের অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা তাদের অভিজ্ঞতা থেকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা তাকে স্বাগত জানিয়ে মেলা করছি। অতীতে হরতালে মেলা জমে উঠতে দেখেছি আমরা।

এ পরিস্থিতিতে মেলা জমে উঠতে পারে। যদি তা না হয় তখন পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেব। তবে, লকডাউনের মধ্যে দ্বিতীয় দিনে মেলায় মানুষের আনাগোনা তুলনামূলক ভালো ছিল। বিক্রিও তুলনামূলক ভালো। আশা করব, এত প্রতিকূলতার পরে অন্তত শেষ বেলায় মেলা জমে উঠবে।

লেখক: প্রকাশক, তাম্রলিপি

ইত্তেফাক/এএএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x